ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা মাহিয়া মাহি,অভিনয় নৈপুণ্য ও সৌন্দর্যে মাতোয়ারা দর্শক,মাহিয়া মাহি বর্তমানে ঢাকায় সিনেমার সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত অভিনেত্রী।তার ক্যারিয়ারে রয়েছে বেশ কয়েকটি সুপার হিট সিনেমা।অভিনয় কিংবা ব্যক্তিগত কারণে মাহিয়া মাহি বহুবার আলচনায় এসেছেন কখনো জন্মদিন কিংবা পারিবাসিক বিভিন্ন বিষয়ে।তবে কিছুদিন আগে পরিচালক মাহমুদ শিদার তার বিরুদ্ধে আনেন গুরুতর অভিযোগ।মাহমুদ বলেন, ’বিভিন্ন সিকোয়েন্সের জন্য ৩০টি পোশাক ডিজাইন করা হলেও মাহি সেগুলো পরেননি। প্রডাকশনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নিজের পছন্দমতো কিনে নিয়েছেন। সেই পোশাক শুটিং শেষে ফেরতও দেননি! তা ছাড়া মাহি শুটিংয়ে যেতেন ১০ জনের টিম নিয়ে। যার খরচ বহন করতে হতো প্রযোজককেই। উত্তরা থেকে আশুলিয়া গেছেন নিজের গাড়িতে, এ জন্য জ্বালানি বাবদ চার হাজার টাকা, মানিকগঞ্জে যাওয়ার জন্য আট হাজার টাকা—পারিশ্রমিক বাবদ ১০ লাখের বাইরে এমন আরো অনেক খাতেই মাহিকে টাকা দিতে হয়েছে।’

কিন্তু তখন প্রতিবাদ না করে এখন কেন করছেন এমন প্রশ্ন করা হলে পরিচালক বলেন ’ভয়ে, ছবি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয়ে’—বললেন মাহমুদ হাসান শিকদার। মাহমুদের সমর্থনে ফেসবুকে মাহির বিরুদ্ধে আরো অনেক অভিযোগ তুলে পোস্ট দিয়েছেন আরেক নির্মাতা মোহাম্মদ হোসেন জেমী।

মাহি এখন কক্সবাজারে, একটি শোতে অংশ নিতে সেখানে গিয়েছেন তিনি। এত এত অভিযোগের জবাব জানতে মাহিকে ফোন করা হলে তিনি জানান, ’চুক্তিপত্রে এ সব কিছুই উল্লেখ ছিল, এখন অভিযোগ করলে আমার কী-ই বা করার আছে। ছবি মুক্তির এক মাস পর অভিযোগ করছেন, কারণ পরিচালক আলোচনায় আসতে চান। আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে ছবি ছিল এটা। প্রযোজককে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্যই আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে দায় এড়াচ্ছেন। আর এসব অভিযোগ তিনি প্রযোজক বা পরিচালক সমিতিতে কেন করছেন না? কেন মিডিয়ায় করছেন? তবু বলছি, অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে টাকা ফেরত দেব।’


প্রসঙ্গত,ঢাকাই সিনেমায় মাহিয়া মাহির আগম ঘটে ২০১২ সালে জাজ মাল্টিমিডিয়ার হাত ধরে। তার অভিনিত প্রথম সিনেমার নাম রঙ। এর পর ২০১৩ সালে তার তিনটি সিনেমা পরপর বেশ ব্যবসা সফল হয়। এরপর তার সাফল্য ছড়িয়ে যায় টলিউডেও। বাংলাদেশের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোলকাতায়ও সিনেমা করেন কোলকাতার অভিনেতা অঙ্কুষের সাথে অভিনিত তার সেই সিনেমার নাম রোমিও জুলিয়েট।েই সিনেমাটাও বেশ মোটামুটি ব্যবসা সফল হয়।