সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুর শোক কাটতে না কাটতেই কিশোরগঞ্জ-১ (হোসেনপুর-কিশোরগঞ্জ সদর) আসনের উপ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আলোচনায় চলে এসেছেন আওয়ামী লীগের সাবেক এই সাধারন সম্পাদকের একমাত্র কন্যা সৈয়দা রীমা ইসলাম। এ আসনে আওয়ামী লীগের হাই কমান্ড সৈয়দ আশরাফকন্যা রীমা ইসলামকে নৌকার প্রার্থী হিসেবে বিবেচনায় আনবে এমটাই প্রত্যাশা কিশোরগঞ্জের জনতার।
সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও নানা শ্রেণী পেশার মানুষ রীমা ইসলামকে এ আসনে প্রার্থী করা পক্ষে মতামত দিতে শুরু করেন। রীমা ইসলামের বিয়য়টি এখন হোসেনপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম-গঞ্জের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সর্বত্রই আলোচনায়। স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেক নেতা ও সুশীল সমাজ মনে করেন রীমাই পিতার একমাত্র যোগ্য উত্তরসূরী। তিনি এমপি নির্বাচিত হলে পিতার মত ত্যাগী মনোভাব নিয়ে এ আসনের সার্বিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারবেন।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ শিক্ষক কল্যাণ ও অবসর বোর্ডের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ মোঃ শরিফ সাদী, প্রবীন সাংবাদিক সুবীর বসাকসহ অনেকেই মনে করছেন রীমাই পিতার যোগ্য উত্তরসূরী হতে পারেন।
লন্ডনের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে উচ্চতর ডিগ্রী নিয়ে লন্ডনেই এইচএসবিসি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন রীমা।
উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে সৈয়দ আশরাফ গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিজয়ী হন। তবে শপথ গ্রহণের আগেই ৩ জানুয়ারি বৃহঃস্পতিবার ব্যাংককে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ফুসফুসে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসাধীন অবস্থায়িই তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।
১৯৯৬ সাল থেকে শুরু করে একাধারে পাঁচবার এমপি নির্বাচিত হন তিনি। ইতোপূর্বে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ,স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, জনপ্রশাসন মন্ত্রী, আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। সূত্র:dailynayadiganta