কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে আগামী ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনে ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীকে। এ দিকে নৌকায় মনোনীত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে সড়ক-মহাসড়কে শত শত ’কলাগাছ’ রোপণ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।
সর্বশেষ বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী তৃণমূলে জনপ্রিয় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শ্রমিক নেতা ও ক্রীড়া সংগঠক আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী ঢাকা থেকে বিমানযোগে কক্সবাজার পৌঁছে সড়ক পথে চকরিয়া আসেন।
তিনি চকরিয়া উপজেলার দক্ষিণ সীমান্তবর্তী খুটাখালী ফুলছড়ি এলাকায় পৌছলে দলীয় বিভিন্ন স্তরের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকরা হাজারো অধিক গাড়ির শোভাযাত্রা সহকারে প্রতিকি কলাগাছ সহকারে বিশাল শোডাউনে অংশ নিয়ে প্রিয় নেতাকে বরণ করে নেন।
বিশাল শোভাযাত্রাটি চকরিয়া পৌর সদরের জনতা টাওয়ার চত্ত্বরে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছার পূর্বে মহাসড়কে সকল শ্রেণী-পেশার লাখো জনতার উপস্থিতিতে এক অন্যরকম দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। ফলে মহাসড়কে বিকাল ৪টা হতে সন্ধ্যা ৬টা পযর্ন্ত সময়ে সৃষ্টি যানজট স্বাভাবিক করতে গিয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে হিমছিম খেতে হয়েছে।
এ দিকে সংবর্ধনার জবাবে ফজলুল করিম সাঈদী বলেন, আজ জনগণের যে অভূতপূর্ব ভালবাসা ও সমর্থন পেয়েছি, তার ঋণ আমি কোনদিনই শোধ করতে পারবো না। জননেত্রী শেখ হাসিনা চকরিয়ায় নৌকা প্রতীকে প্রার্থীর জনশূন্যতা বুঝতে পেরেছে এবং প্রার্থী পরিবর্তনের জন্য কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের কাছে জানানো হয়েছে। আমি আশা করবো আগামী ১৮ মার্চ আমাকে মূল্যবান রায় দিয়ে জনগণের প্রার্থীর বিজয় সুনিশ্চিত করবেন। স্বতন্ত প্রার্থী সকলের প্রতি কতৃজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, চকরিয়ার ১টি পৌরসভা ও ১৮টি ইউনিয়ন থেকেই শত শত গাড়ি নিয়ে শোভাযাত্রা ও সংবর্ধনায় অংশ নেন নেতাকর্মীরা।
সূত্র:bdmorning