রাজধানীর বুডিগঙ্গায় দশম দিনের মত চলছে উচ্ছেদ অভিযান। এ সময় তীরভূমির ১৫০ ফুটের মধ্যে থাকার পরও ১২ তলা একটি ভবন নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। ভবনটি বছিলার শ্রীখণ্ড মৌজার মধ্যে অবস্থিত।
সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তিনদিন বিরতির পর সকাল ১০টার দিকে অভিযান শুরু করে ভ্র্যম্যমাণ আদালত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের শুরুতে বেশ কয়েকটি ছোটখাটো স্থাপনা গুডিয়ে দেয় ভ্র্যম্যমাণ আদালত। এরপর নদীতে লাগোয়া বারো তলা একটি ভবন না ভাঙলেও। আস পাশের স্থাপনা উচ্ছেদ করে বিআইডব্লিটিএ। নিয়ম অনুযায়ী পোর্ট ল্যান্ডের এলাকায় বহুতল ভবন করতে হলে অনুমতি লাগবে বিআইডব্লটিএ ও রাজউকের। যার কোনো কিছুই মানেন নি ভবন মালিকরা দেখাতে পারেন নি অনাপত্তি পত্রও।
এছাড়া নদীর এ অংশে নেই সীমানা পিলারও। এদিকে ছোট স্থপনা ভাঙার জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
ভবন না ভাঙার কারণ জানতে চাইলে, অভিযানের নেতৃত্বে থাকা বিআইডব্লিটিএর নির্বাহী হাকিম মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পাশের ভবন ভাঙার বিষয় তিনি অবগত নন। আর বারো তলা ভবনটির অবস্থান রয়েছে নদীর অংশের বাইরে। এদিকে নদীর সীমানা পিলার নিয়ে বিতর্ক থাকায় শুক্রবার কামরাঙ্গীর চর, মোহাম্মদপুর, হাজারীবাগ থানায় আলাদা আলাদা জিডি করেছে সংস্হাটি।
এর আগে ২০০৯ সালে ভূমি জরিপ করে নদীর সীমানা ঠিক করে ভূমি জরিপ অধিদফতর। অভিযোগ আছে ওই সময় ঠিকাদারদদের সাথে যোগসাজসে সীমানা পিলার নদীর দিকে এগিয়ে দিয়ে ছিলো ভবন মালিকরা। এরপর উচ্ছেদ চালাতে গেলে সীমানা পিলারের ধোহাই দিতো তারা।
গত ৯ দিনের অভিযানে প্রায় ১৫ একর তীরভূমি দখল মুক্ত ও ছোট বড় প্রায় ১৫ শো স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বিআইডব্লিটিএ। চলমান এ কার্যক্রম ২০ ফ্রেব্রুয়ারি চলার কথা থাকলে ও তা আরো বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।


সূত্র:বিডিমর্নিং