ছবি: ইন্টারনেট
অধ্যক্ষ সিরাজের কু-কীর্তির প্রতিবাদ ও শাহাদাতের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) উপ-মহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার।
শনিবার (১৩ এপ্রিল) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানায় মামলার তদন্তে থাকা সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর উপ-মহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার এসব কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আলোচনা করে নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে মারার পরিকল্পনা করেছিল আসামিরা। নুসরাতকে আগুন দেওয়ার ঘটনায় উপস্থিত ছিল চার জন। পুরো ঘটনার সঙ্গে ১৩ জন জড়িত ছিল। এ পর্যন্ত ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বনজ কুমার মজুমদার বলেন, জেল থেকে নুসরাতকে পুড়িয়ে মারার নির্দেশ দেন অধ্যক্ষ সিরাজ। ১৩ জনের মধ্যে দুই ছাত্রীকেও শনাক্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির শরীরে আগুন দেওয়ার আগের দিন ৫ এপ্রিল কারাগারে থাকা অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার সঙ্গে দেখা করেন তার ঘনিষ্ঠজন নুর উদ্দিনসহ পাঁচজন। সিরাজের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী পরদিন নুর উদ্দিনের নেতৃত্বে পরীক্ষাকেন্দ্রে নুসরাতের গায়ে আগুন দেওয়া হয়।
বনজ কুমার বলেন, নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় অংশ নেয় মোট ১৩ জন। এর মধ্যে দুই তরুণীও রয়েছে। চারজন বোরখা পরা ব্যক্তি মাদ্রসার ছাদে নুসরাতের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়। এখন পর্যন্ত আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিডি২৪লাইভ