ঋতুরাজ বসন্তের দ্বিতীয় দিন আজ বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি)। সেইসঙ্গে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বাঙালি মনের ভালোবাসাও আজ হয় পবিত্র। ফুলে রাঙা আর বাসন্তী মোহে মুগ্ধ। চলচ্চিত্রে বা নাটকে যা দেখানো হয়, সেটাই কি ভালোবাসা? নাকি গানের যে কথায় হৃদয়ে দোল আসে সেটাই ভালোবাসা? ভালোবাসার ব্যাখ্যা কি? গান, চলচ্চিত্র বা নাটকের যে মানুষগুলো ভালোবাসাকে নিত্যনতুনভাবে তুলে ধরেন তারাই কীভাবে লালন করেন বিষয়টি। এ বিষয়ে কথা বলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বের স্ত্রী নাজিয়া হাসান অদিতি।
’বিশ্ব ভালোবাসা দিবস’ উপলক্ষে পাঠকদের উদ্দেশে নাজিয়া হাসান অদিতির সেই কথোপকথন তুলে ধরা হলো-
অদিতি বলেন, ’তার কাছে ভালোবাসা মানে বিশ্বাস। আমি অপূর্বকে আপনি করে বলি আর সে তুমি করে বলে। এখানেও কিন্তু ভালোবাসা আছে। আমরা আর দশটা হাজবেন্ড-ওয়াইফের মতোই। সে তার মত কাজ করে, আমিও আমার মত কাজ করি। দরকারে তাকে ফোনে কল দেই। আর আমাদের ভালোবাসাটা শুরু হয় সে শুটিং থেকে ফেরার পর। সে যত রাত করেই ফিরুক না কেন! সে বাসায় ফেরার পর থেকেই আমাদের ভালোবাসা শুরু হয়। সময় বের করে একসঙ্গে ঘুরতে বের হই।’এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন অপূর্বের স্ত্রী নাজিয়া হাসান অদিতি।
তিনি আরও বলেন, ’অনেকে আমাকে বলেন তিনি (অপূর্ব) অনেক রাগী। তবে রাগটা পুষে রাখেন না। ব্যাড মেমোরিজ একেবারে রাখেন না। যত রাতেই শুটিং থাকুক না কেন, সে বাসায় ফিরে আসার পরই আমাদের জীবন শুরু হয় একসঙ্গে খাওয়া, গল্প করা, মুভি দেখা। আর হ্যাঁ, সে বাইরের কোনো ক্রাইসিস আমাকে বলেন না।’
অদিতি বলেন, ’অনেকেই বলে অপূর্ব রোমান্টিক নাটক করে, তার অনেক ভক্ত আছে, বিশেষ করে মেয়ে ভক্ত। ফেসবুকে আমার অনেক ছবিতে মেয়েরা কমেন্ট করে ’হি ইজ মাইন’, ’আই হেট ইউ’, ’আই জেলাস ইউ’। আমি কখনোই তাদের (অপূর্ব ভক্ত) ইগনোর করি না। বরং তাদের কমেন্টে লাইক দিই। আমাকে যদি কেউ হিংসাই না করে তাহলে অপূর্বর সাকসেস কি! আমাকে যদি কেউ হিংসাই না করে তাহলে আমার সাকসেস কী? আমাদের একমাত্র ছেলে আয়াশ। তাকে নিয়ে সবকিছু মিলিয়ে আমরা বেশ ভালোই আছি।’