র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে যা জানালেন অভিনেত্রী নওশাবা রাজধানীর জিগাতলায় দিনভর যে তুলকালাম তার পেছনে রয়েছেন অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদসহ বেশ কয়েকজন নারী এবং একজন তরুণ।
গুজব ছড়ানোয় তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত \’ঢাকা অ্যাটাক\’ চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদের ফেসবুক লাইভের বিষয়টি। কারণ, অন্য যে মেয়েরা লাইভে এসে এই গুজব ছড়িয়েছে তারা সবার মুখ ঢেকে কথা বলেছে।
অভিনেত্রী নওশাবা হাঁপাতে হাঁপাতে কান্নামুখর হয়ে বলেছেন জিগাতলায় একজনের চোখ তুলে ফেলা ও দুই জনকে মেরে ফেলা হয়েছে।
আর এসব ঘটনার খবরে রাজধানীর জিগাতলা এলাকায় উত্তেজিত হয়ে সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে অবস্থান নেয়া শিক্ষার্থীরা হামলা করে ধানমন্ডি ৩/এ তে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে। আর পাল্টা হামলা-ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় দিনভর হয় তুলকালাম।
পরে অবশ্য সন্ধ্যায় ছাত্রদের দুটি প্রতিনিধি দল কার্যালয় ঘুরে এসে বলেন, সেসব গুজব ছিল।
এরপর রাতেই উত্তরা থেকে ফেসবুক লাইভে এসে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদকে আটক করে র‌্যাব।
পরে র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান শনিবার রাতে সাংবাদিকদের জানান, \’সাধারণ ছাত্রদের উস্কানি দেয়াই ছিল লাইভ করার উদ্দেশ্য।\’
জিজ্ঞাসাবাদে নওশাবা জানিয়েছেন, রুদ্র নামে এক ছেলে তাকে লাইভ করতে বলে। তাই তিনি উত্তরা থেকে লাইভ করেছেন।
তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান র‍্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক।
স্কুল ছাত্রের তথ্যে ফেসবুক লাইভে নওশাবা: জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাবকে যা জানালো
নওশাবা র‌্যাবকে জানিয়েছে, রুদ্র নামে একটা ছেলের সাথে গত ৩ আগস্ট তার পরিচয় হয় শাহবাগে। তারপর থেকে রুদ্রের সাথে তার যোগাযোগ হয় এবং চলমান আন্দোলন সম্পর্কে আপডেট জানতে পারে।
সেই সূত্রে রুদ্রের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার নওশাবা ফেসবুক লাইভে যায়। প্রাপ্ত তথ্যের সত্যতা কোনো রকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই বলাটা শুধু গুজব নয়, অপরাধ। তথ্যদাতা সেই রুদ্র একটি স্কুলে পড়ে বলে জানিয়েছেন নওশাবা।
সূত্র:বিডি২৪লাইভ