ছবি: ইন্টারনেট
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ক্ষমতাসীনদের মাঝে কোন শঙ্কা নেই। ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
নির্বাচনের মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় প্রহর গুনতে শুরু করেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সরজিমনে দেখা গেছে, দেশব্যাপী শুধু আওয়ামী লীগময় প্রচারাভিযান। অপরদিকে বিরোধী জোট বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মাঠে থেকেও যেন নির্বাচনের বাইরে আছে বলে মনে করছে ভোটাররা। অন্যদিকে প্রতীক বরাদ্দের সঙ্গে সঙ্গে উচ্ছাস বইতে শুরু করেছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে। বিজয়ের মেজাজে ফুরফুরে অবস্থায় রয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি।
এদিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রতিনিয়ত বলে যাচ্ছেন, বিএনপি মিডিয়ায় আছে, নির্বাচনী মাঠে নেই। আওয়ামী লীগ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে দেশের কোন দলের পক্ষে আওয়ামী লীগকে হারানো সম্ভব নয়। ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন শতকরা ৫০ শতাংশ নয় ১০০ শতাংশ নিরপেক্ষ হলেও বিএনপির পক্ষে ক্ষমতায় আসা সম্ভব না। তারা কী এমন করেছে? জনগণ কেন তাদের ভোট দিবে? দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ ছাড়া দেশের মানুষকে তারা কিছু দিতে পারেনি। পক্ষান্তরে আওয়ামী লীগ দেশকে উন্নায়নের পথে নিয়ে গেছে। দেশ সামনের দিকেই এগোবে আর পিছনের দিকে যাবে না। জনগণের মাঝে উন্নয়নের বার্তা পৌছে দিতে সক্ষম হয়েছে আওয়ামী লীগ। ৩০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ নিশ্চিত বিজয়ের পথে। আওয়ামী লীগকে পরাজিত করার মত কোন দল নেই। কোনো শক্তিই আওয়ামী লীগকে ভোটে হারাতে পারবে না।
আওয়ামী লীগের প্রতি ৬৬ শতাংশ এবং বিএনপির প্রতি ১৯.৯ শতাংশ মানুষের সমর্থন রয়েছে। একটি জনমত জরিপের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।এই জরিপ গুলোর ওপর ভিত্তি করে এবং ১৯৯১-২০০৮ এর নির্বাচনের তথ্য বিশ্লেষণ করার পর আমার বিশ্বাস যে, আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে ১৬৮ থেকে ২২২টি আসনে জয়লাভ করবে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের চেয়েও বেশি ব্যবধানে এবার আওয়ামী লীগ জয়লাভ করবে।