মেজরপত্নী হত্যারহস্য খুলতেই বেরিয়ে এসেছে এক ভয়ানক তথ্য। মেজরের স্ত্রী শৈলজা দ্বিবেদীকে (৩০) গলা কেটে হত্যা করেছে আরেক মেজর নিখিল হান্ডা। মেজরের স্ত্রী গত ছয় মাসে নিখিল হান্ডার সাথে সাড়ে তিনহাজার বার ফোনালাপ করেছেন এমনই তথ্য উঠে এসেছে হত্যার তদন্ত প্রতিবেদনে।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে চলতি জুন পর্যন্ত এসব ফোনালাপ ও বার্তা বিনিময় হয়েছে। মেজর হান্ডার মোবাইলের কল রেকর্ড ঘেঁটে এবং জিজ্ঞাসাবাদের পর এমনই তথ্য মিলেছে বলে দাবি করেছে দিল্লি পুলিশ।

শনিবার (২৩ জুন) দিল্লির ক্যান্টনমেন্ট মেট্রো স্টেশনের কাছে রাস্তার ধারে উদ্ধার করা হয় মেজরের স্ত্রী শৈলজার লাশ। ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করার পর তার ঠোঁট টুকরো টুকরো করে কাটা হয়। খুন করার পর একাধিকবার তাকে গাড়ি দিয়ে পিষে দেয়া হয়।

খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পরদিন রবিবার (২৪ জুন) উত্তরপ্রদেশের মেরঠ থেকে গ্রেফতার করা হয় মেজর নিখিল হান্ডাকে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারদিনের পুলিশি রিমান্ডে পাঠানো হয় তাকে।

জিজ্ঞাসাবাদে মেজর নিখিল হান্ডা স্বীকার করেছেন, হত্যার পরপরই এক বান্ধবীকে ফোন করে নিজেই এ কথা জানিয়েছিলেন নিখিল হান্ডা। দিল্লি পুলিশ সুত্রে এমনটাই জানা গেছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, হান্ডার কল রেকর্ডের তথ্য ঘেঁটে পুলিশ জানতে পেরেছে, খুনের পরই দিল্লির একটি নম্বরে ফোন করেন নিখিল হান্ডা।