আবদুল কাদির একজন প্রাক্তন পাকিস্তানী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলোয়াড়, পরে ভাষ্যকার এবং সম্প্রতি তিনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান সিলেক্টার। ৭০’ দশকের শেষ ভাগে এবং পূরো ৮০’ র দশক জুড়ে মাঠ কাঁপানো একজন খ্যাতনামা পাকিস্তানি ক্রিকেটার। তিনি বর্তমানে একজন ক্রিকেট খেলার ধারাভাষ্যকার।শুক্রবার হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি এই লেগ স্পিনার।
ওয়ানডে ক্রিকেটে লেগ স্পিনকে এক সময় পাত্তা দেওয়া হতো না। কিন্তু কাদিরকে তুলে এনে সেই ভাবনাটা ভুল প্রমাণ করেছিলেন ইমরান খান। টেস্ট ও ওয়ানডে—দুই সংস্করণ মিলিয়ে ইমরানের সঙ্গে ভয়ংকর জুটি গড়েছিলেন কাদির। খেলোয়াড়ি জীবনের সেই সতীর্থকে হারিয়ে শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

আর সপ্তাহখানেক পরই ৬৪ বছর বয়সে পা রাখতেন কাদির। আশির দশকে কাদিরকে ওয়ানডে ক্রিকেটে অপরিহার্য করে গড়ে তুলেছিলেন ইমরান। তার গায়ে পাকিস্তানের জার্সি ওঠার পেছনেও ইমরানের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি। খেলোয়াড়ি জীবনের সে সতীর্থকে হারিয়ে এক শোকবার্তায় ইমরান বলেন, ’আমি খুব ভালো একজন বন্ধু হারালাম আর দুর্দান্ত এক ক্রিকেটারকে যে দেশের হয়ে নিজেকে নিংড়ে দিয়েছে।’ ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ এবং তারপর দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া ইমরান জানিয়েছেন কাদিরের মৃত্যু তাঁর কাছে বড় আঘাত।

ইমরানের নেতৃত্বেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টে ৫৬ রানে ৯ উইকেট পেয়েছিলেন কাদির। টুইটারেও শোক প্রকাশ করেছেন ইমরান, ’কাদিরের চলে যাওয়ায় খুব দুঃখ পেয়েছি। তার পরিবারের প্রতি আমার দোয়া ও সমবেদনা। আবদুল কাদির ছিল এক প্রতিভা, সর্বকালের সেরা লেগ স্পিনারদের একজন। নানা মজার কথা বলে সে দল আর ড্রেসিং রুমকেও চাঙা রাখত সব সময়।’

উল্লেখ্য, বিশ্বের অন্যতম সেরা লেগ স্পিনারদের একজন হিসেবে তাকে গণ্য করা হতো। গুগলি বোলিংয়ের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। তিনি ছিলেন তার সময়ের একজন দারুণ রিস্ট স্পিনার। তিনি ছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।