গরমের এই সময়ে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা যায়। ডিহাইড্রেশন কাটিয়ে সুস্থ ও তরতাজা থাকতে আখের রসের বিকল্প নেই। দ্রুত ওজন কমাতেও সাহায্য করে আখের রস। শুধু সঠিক সময় এবং সঠিক পরিমাণে খেতে হবে এই পানীয়। এতে রয়েছে শর্করা জাতীয় উপাদান, ফলে আলাদা করে চিনি বা সুইটনার ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ে না। বাজারচলতি প্যাকেটজাত জুসগুলিতে প্রচুর পরিমাণ আর্টিফিশিয়াল সুইটনার থাকে যেগুলি ওজন বাড়ায়। তাই অন্যান্য জুস নয়, নিয়মিত ডায়েট তালিকায় রাখুন আখের রস।
আখের রসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। আখে থাকে ১৩ গ্রামের মতো ফাইবার। বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, চিনি বা কোনো রকম সুইটনার না মিশিয়ে নিয়ম করে আখের রস খেলে ধীরে ধীরে ওজন কমতে থাকে।

ডায়েটিশিয়ানদের মতে, সুস্থ থাকতে বাড়িতেই বানিয়ে নিন আখের রস। এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পলিফেনল যা শরীরের মেদজনিত ফোলা ভাব কমিয়ে দেয়। কয়েক দিন পরেই দেখবেন নিজেকে অনেক বেশি ফিট এবং ঝরঝরে লাগছে।

ওজন বাড়ার অন্যতম প্রধান কারণ শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি। এই কোলেস্টেরল রক্তের সঙ্গে মিশে শরীরে স্নেহজাতীয় পদার্থের পরিমাণ বাড়ায়। আখের রসে কোনো কোলেস্টেরল নেই। তাই নিশ্চিন্তে খান আখের রস, ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রণেই।

আখের রস হজম শক্তি বাড়ায়, অ্যাসিডিটি নির্মূল করে। নিয়মিত আখের রস খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও অনেক কার্যকরী আখের রস। এটি রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই ডায়াবিটিস রোগীরা নির্দ্বিধায় খেতে পারেন আখের রস।

ভারতীয় আয়ুর্বেদে আখের রসের একাধিক গুণের কথা বলা হয়েছে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন ও ম্যাঙ্গানিজ। যা স্তন ক্যান্সার ও প্রস্টেড ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম। শরীরের অবাঞ্ছিত টক্সিন দূর করে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তোলে আখের রস।

News Page Below Ad