পবিত্র হজ আজ (সোমবার, ২০ আগস্ট)। সৌদি আরবের মক্কার আরাফাতের ময়দান আজ মুখরিত হয়ে উঠেছে ’লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক। ইন্নাল হামদা ওয়ান নিয়মাতা লাকা ওয়াল মুলক। লা শারিকা লাক্’- ধ্বনিতে। লাখো কণ্ঠের এই ধ্বনি ঘোষণা দেবে মহান আল্লাহতায়ালার একত্ববাদ ও শ্রেষ্ঠত্ববাদের কথা।
হজের মূল এ আনুষ্ঠানিকতায় কাফনের কাপড়ের মতো সাদা দু’টুকরো ইহরামের কাপড় পরে মহান রবের সন্তুষ্টি ও সান্নিধ্য লাভের জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়েছেন বিশ্বের নানাপ্রান্ত থেকে আরাফাতের ময়দানে হাজির হওয়া লাখো মুসলিম। আল্লাহপাক এবং তার বান্দার মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নের অনন্য আবহে বিরাজ করবে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্বের এক অনুপম দৃশ্য।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

হজ পালনে ২০ লাখেরও বেশি মুসল্লি জড়ো হয়েছেন মিনায়। রোববার (১৯ আগস্ট) থেকেই শুরু হয়েছে আনুষ্ঠানিকতা। অবশ্য রাত থেকেই সেখানে বৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। এমনকি সোমবার আরাফার ময়দানেও ঝড়-বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।
মিনা থেকে মুসল্লিরা যাবেন আরাফাতের ময়দানে। সেখানে রেওয়াজ অনুযায়ী জোহরের নামাজের আগেই হজের খুতবা দেওয়া হবে। এ খুতবা প্রচার হবে বাংলাদেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলেও। খুতবা শোনা হজের অন্যতম বিধান। গ্র্যান্ড ইমাম হাজিদের উদ্দেশে খুতবা প্রদান করবেন। খুতবার পর এক আজানে দুই ইকামতে জোহর ও আসরের কসরের (দুই রাকাত করে) নামাজ আদায় করবেন হাজিরা।
এরপর তারা যাবেন মুজদালিফায়। সেখানে গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ একত্রে আদায় করবেন। মুজদালিফায়ও খোলা আকাশের নিচে রাত যাপন করবেন হাজিরা। সেখান থেকে জামারায় শয়তানকে মারার জন্য পাথর (কংকর) সংগ্রহ করে নেবেন। মঙ্গলবার (২১ আগস্ট) ফজরের নামাজ আদায় করে মুজদালিফা থেকে হাজিরা আবার মিনায় ফিরবেন।
বুধবার (২২ আগস্ট) মিনায় হাজিরা পশু কোরবানি, মাথা মুণ্ডন, শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ ও ইহরাম ত্যাগ করার কাজগুলো সম্পন্ন করবেন। এরপর মক্কায় পবিত্র কাবাঘরে বিদায়ী তাওয়াফ করবেন। এর আগে সৌদি আরব গিয়েই হজযাত্রীরা প্রথমে একবার অবশ্যই পবিত্র কাবা ঘর তওয়াফ করেন। এভাবে সম্পন্ন হবে হজের পুরো আনুষ্ঠানিকতা।
ইসলাম ধর্মের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি হচ্ছে হজ। জীবনে অন্তত একবার হজ পালন করতে হয়।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display