বাংলা ভিশনের সিনিয়র নিউজ এডিটর মাসুদ কামাল বলেছেন, ’মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আর নাতিরা কি অনগ্রসর শ্রেণি? এই রাষ্ট্রে বঙ্গবন্ধু ৫ শতাংশ কোটা মুক্তিযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য বরাদ্দ করেছিলেন। ৩০ লাখ লোক মুক্তিযুদ্ধ করে শহীদ হয়েছেন, তাদের জন্য কি কোনও কোটা রেখেছেন? তাদের অবদান কী অনস্বীকার্য? মুক্তিযোদ্ধাদের যদি পুরস্কার দিতেই চান, তাহলে তাদের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেন।’
দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আয়োজনে ’এবার কোটা বহাল!’ শীর্ষক বৈঠকিতে তিনি এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটতে শুরু হয় সাপ্তাহিক এই আয়োজন।
সাংবাদিক মাসুদ কামাল বলেন, ’ঢাকা শহরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করলেও জ্যাম বেঁধে যায়। যানজট সৃষ্টি করতে পারলেন কিনা, এটা কিন্তু কোনও আন্দোলনের নিয়ামক হতে পারে না। এই কোটার আন্দোলন খুবই একটা অপ্রয়োজনীয় আন্দোলন। বাংলাদেশের  সংবিধানের কোথাও কোটা শব্দটা নেই। সংবিধানে আছে সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে প্রত্যেক নাগরিক সমান অধিকার লাভ করবে। যদি অনগ্রসর কেউ থাকে, তাহলে সরকার ইচ্ছা করলে তাদের বিশেষ সুযোগ দিতে পারবে। আগে যারা সংস্কারের পক্ষে আন্দোলন করেছে, তারা সরকারের ইচ্ছা পরিবর্তন করেছে। এখন আবার কোটা বহালের দাবি করছে। ’
সাংবাদিক মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় বৈঠকিতে অংশ নিচ্ছেন সাবেক সচিব ও রাষ্ট্রদূত মোফাজ্জল করিম, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আরিফ জেবতিক, মুক্তিযুদ্ধ সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি শেখ আতিক বাবু,  ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাংবাদিক রশিদ আল রুহানী।
রাজধানীর পান্থপথে এ বৈঠকি সরাসরি সম্প্রচার করছে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন নিউজ। পাশাপাশি ফেসবুক ও হোমপেজে লাইভ দেখা যাচ্ছে এ আয়োজন।
banglatribune