রফিক আহমেদ : বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় নির্বাচনে দেশের গণমানুষের সম্পৃক্ততা ছিল না। যার ফলে এ নির্বাচন একদলীয় নির্বাচনে পরিণত হয়েছিলো। গতকাল রোববার রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একান্ত সাক্ষাতে তিনি এসব কথা বলেন।
বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা বলেন, বাংলাদেশে দশম জাতীয় সংসদে প্রকৃত কোনো বিরোধীদল ছিল না, একাদশ জাতীয় সংসদেও কোনো বিরোধীদল নেই। একত্রে জোট- মহাজোট করে নির্বাচন করার পর বিরোধীদলের আসনে বসা হাস্যকর ও জনগণের কাছে তামাশার সামিল। যেখানে সরকারিদল এবং সরকারিদলের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী ঠিক করে দেন- কে বিরোধীদলে যাবে এবং কে কোন আসনে বসবে- এটা বাংলাদেশের বুর্জুয়া রাজনীতি তথা শাসক শ্রেণীর দেউলিয়া রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ।
তিনি বলেন, পরিমিতি বোধ হারিয়ে ভোট ডাকাতির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে বিপাকে পড়েছে সরকাদিল। বিরোধীদলহীন সংসদ চলে কিভাবে- সেই কারণে এখন সরকারি জোট থেকেই বিরোধীদলের আসনে বসিয়ে গৃহপালিত বিরোধীদলের ভূমিকা পালনের নির্দেশ জারি করতে হচ্ছে। এটা দেশজাতি ও গণতন্ত্রেও জন্য এক অশনি সংকেত।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে শাসক জোটের শরিকদের মধ্যে বিরোধীদলে বসা- না বসা নিয়ে মন কষাকষি চলছে। যা জনগণের হাসির খোরাক যোগাছে। এই অবস্থার অবসানের জন্য দ্রæত এ ভোট ডাকাতির নির্বাচন বাতিল করে নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে এ অবস্থার নিরসন করা দরকার।

সূত্র:আমাদের সময়