কুয়েত মৈত্রী হলের নির্বাচনের ফলাফল ভালো করে লক্ষ্য করুন, এটা খুব গুরুত্বপূর্ন্। সেখানে ব্যালট ভরা বাক্স উদ্ধারের পর ছাত্রীদের তুমুল প্রতিবাদে ফেটে পড়লে নতুন প্রভোষ্ট নিয়োগ দিতে হয়েছে। নির্বাচনে কারচুপির কোন সুযোগ ছিল না সেখানে। ফলাফল? ১৩টির সব আসনে পরাজিত ছাত্রলীগ।
নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হলে ডাকসু ও বাকী সব হলের ফলাফল হয়তো তাই হতো। ডাকসুতে শুধু নূর আর আখতার না, জিততো কোটা আন্দালনের আরো অনেকে। বিভিন্ন আলামত দেখে এটা মনে হয় যে কোটার অনেককে কারচুপি করে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু নূর আর আখতারের সাথে প্রতিদ্ধন্ধীর ব্যবধান এতো বিশাল ছিল যে কারচুপি করেও তাদের হারনো যায়নি।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে নূরের কি ডাকসু ভিপি পদ গ্রহন করা উচিত? আমার মতে কোটা আন্দোলনের নেতারা সবাই যদি রাজী থাকে তাহলে তার ডাকসু ভিপির পদ গ্রহন করা উচিত। ডাকসু ভিপি হিসেবেই হয়তো ছাত্রদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে আরো বেগবান করা সম্ভব। তবে নূরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোটা আন্দোলনের নেতাদের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে। বাম বা ছাত্রদলের মতামত এখানে গুরুত্বপূর্ন্ হতো যদি তারা কোটার নেতাদের সাথে একসাথে নির্বাচন করতো। তারা এটি করেনি।

নূরের মধ্যে আমি দেখি তরুন বয়েসের বঙ্গবন্ধুর ছায়া। সাধারন ছাত্রদের নির্যাতনকারীদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু কোনভাবেই নেই।

সুলতান মনসুর জিতেছে বিএনপির ভোটে। আর নূর বিএনপির (এবং বাকী সবার) সাথে প্রতিদ্বন্ধিতা করে। একজন এমপি সংসদে কিছু করতে পারেনা। একজন ডাকসুর ভিপি অনেক কিছু করতে পারে। দুজনের তুলনা করবেন না কেউ।
ইসি পারে, আর ভিসি পারবে না?