সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মিতি সানজানা বুধবার ডয়চে ভেলেকে বলেন, আইনের মধ্যেই নারীকে অবমাননা এবং অপদস্থ করার ব্যবস্থা আছে। সাক্ষ্য আইনের ১৫৫(৪) ধারায় একজন নারীর চরিত্র হননের সুযোগ দেয়া হয়েছে। নারীকে যদি দুশ্চরিত্রা প্রমাণ করা যায়, তাহলে এই আইনে অভিযুক্ত পার পেয়ে যেতে পারেন। এখানেই নারীর চরিত্র হনন করার ব্যবস্থা রয়ে গেছে।
তিনি বলেন, একজন নারী, যিনি নির্যাতনের শিকার হন, তাকে প্রতি পর্যায়ে অপমান অপদস্থের মধ্য দিয়ে যেতে হয় । সেই মূল জায়গা আমরা ঠিক না করে এখানে একটা বাউন্ডারি বা লিমিট ক্রিয়েট করে দিচ্ছি যে, শুধুমাত্র নারী ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়েই জবানবন্দি নিতে হবে । এটা না করে আমরা ১৮৭২ সালের আইনটি পরিবর্তন করতে পারি কিনা, সেটা ভাবা উচিত ।



তিনি মনে করেন, আমরা যদি এরকম ডিভিশন করে ফেলি, প্রত্যেক ক্ষেত্রে একজন নারী ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়ে জবাবন্দি নিতে হবে, থানায় একজন নারী কর্মকর্তাকে মামলা নিতে হবে, একজন নারী ডাক্তার দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে, এই ট্রেন্ডটি যদি চালু হয়, তাহলে ট্যাবু থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারবো না। নারীর অগ্রগতিতে এটা কোনো ইতিবাচক ভুমিকা পালন করবে না।

সূত্র:আমাদের সময়