আসিফ নজরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিভাগ থেকে ১৯৮৬ সালে স্নাতক সম্পন্ন করে আবার সেখানেই অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পূর্বে ১৯৯১ সালে আসিফ নজরুল একটি বহুল প্রচারিত সাপ্তাহিক পত্রিকা বিচিত্রায় কাজ করতেন। তিনি কিছু সময় বাংলাদেশ সরকারের একজন সরকারি কর্মকর্তা (ম্যাজিস্ট্রেট) হিসেবে কাজ করেছেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মিডিয়ায় তাকে প্রায়ই দেখা যায়। আসিফ নজরুল বাংলাদেশের সমসাময়িক বিষয়গুলো নিয়ে তার ফেসবুকে পোষ্টে প্রায়সই কথা বলে থাকেন। এবার নিজের একটি বিষয় নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। পাঠকদের উদ্দেশ্যে তা হুবহু তুলে ধরা হলো:-
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করছি। কত বছর ধরে, কী পজিশনে, এখন বেতন কত- এসব উল্লেখ করে একটা সনদ দরকার। এই সনদ বের করতে হলে কতদিন লাগে জানেন? প্রায় পাঁচ দিন। কপাল খারাপ থাকলে আরও বেশী। কারণ এই মর্মে আমার আবেদনটিকে পার হতে হয় ১৪টি ধাপ।

ধাপগুলো এমন: বিভাগীয় চেয়ারম্যান- রেজিস্ট্রার (নোট লেখার জন্য পাঠাবেন)- ডেপুটি রেজিস্ট্রার- অফিস সহকারী (তার লেখা নোট ফিরতি পদে যাবে)- ডেপুটি রেজিস্ট্রার-রেজিস্ট্রার।

এরপর এই অতি সামান্য জিনিস পাঠাতে হবে ভিসির কাছে। তিনি অনুমোদন দেয়ার পর ফাইলের পুনরায় যাত্রা-রেজিস্ট্রার (এবার সনদটি লেখার জন্য পাঠাবেন)- ডেপুটি রেজিস্ট্রার-অফিস সহকারী- এরপর আবার সনদে স্বাক্ষরের জন্য ডেপুটি রেজিস্ট্রার-রেজিস্ট্রার।



রেজিস্টার চিঠি সাক্ষরের পর তা যাবে ডেসপ্যাচ সেকশনে। সেখান থেকে যাবে নির্দিষ্ট পিওনের কাছে। তিনি যদি বেলা ১১টার পরে এ চিঠি পান, তা হলে আমি সেটা পাবো পরদিন সকালে।

এই হচ্ছে দেশের সবচেয়ে সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাল। অথচ আমার সরাসরি আবেদন পৌঁছানোর পর ডিজিটালি তথ্য ব্যবহার করে রেজিস্টারের একজন কর্মচারী এটা তৈরি করে তার সাক্ষর নিলে মোট সময় লাগার কথা বড়জোর ৩০ মিনিট।

প্রসঙ্গত, আসিফ নজরুল বাংলাদেশের সমসাময়িক বিষয়গুলো নিয়ে কন্ঠ তোলা একজন ব্যক্তিত্ব। এ ছাড়াও তিনি একাধারে লেখক, ঔপন্যাসিক, রাজনীতি-বিশ্লেষক, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, কলামিস্ট, ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক। টিভি টকশো ও তার