একটি রাষ্ট্র পরিচালনা করতে সব থেকে প্রয়োজনীয় যে জিনিসটি দরকার তা হলো সেই রাষ্ট্রের সংবিধান। সংবিধানের সকল নিয়মানুযায়ি একটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়ে থাকে। আর বাংলাদেশেরও রয়েছে এমন একটি সংবিধান। আর সংবিধান দ্বাড়াই একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে চলবে বাংলাদশ। বলতে গেলে বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতিটা বিষয় এ দেশের একেকটি আইন। সম্প্রতি বাংলাদেশের এই সংবিধানের ৩ টি বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব জনাব আসিফ নজরুল। পাঠকদের উদ্দশ্যে তা তুলে ধরা হলো হুবহু:-

’১. মেয়র বাংলা নগরসেবক, নগরপিতা না। সংবিধানের ২১ (২) অনুচ্ছেদের স্পিরিট সেটাই বলে।

২. সংবিধান অনুসারে উচ্চ আদালতে বিচারপতি না, আছেন বিচারকবৃন্দ (সংবিধান ৯৪ ও ১৫২ অনুচ্ছেদ)। সংবিধানের বর্ণনায় একমাত্র বিচারপতি হচ্ছেন প্রধান বিচারপতি।

৩. সংবিধানে প্রেসিডেন্ট মানে রাষ্ট্রপতি। তবে আমার মতে এটা হওয়া উচিত রাষ্ট্রপ্রধান। ’পতি’ সংস্কৃতি না থাকা ভালো।’


প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৈম রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে। এর পর এক বছর অতিবাহিত হলে অর্থাৎ ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের প্রনোয়ণ করা হয়। সংবিধান আসলে একটি লিখিত দলিল।যেটার মাধ্যমে পরিচালিত হবে দেশ। বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতা হচ্ছেন ড. কামাল হোসেন। শুধু ড. কামালকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি দল গঠন করে লেখা হয় বাংলাদেশের সংবিধান।