ঢাকায় আবারো শুরু হয়েছে পুরোনো ঘটনার নতুন পুনরাবৃর্তি। আরতা হলো গা’/ড়ি’/তে ’আ’/গু’/ন। বেশ কিছু বছর পরে আবারো শুরু হয়েছে এমন ঘটনা। ঢাকার ১৮ নং আসনে সংসদের উপনির্বাচনের সময় এই ঘটনা ঘটে। আর এসব নিয়ে আবারো নতুন করে বাংলাদেশে আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। এবার এ নিয়ে নতুন করে একটি লেখনি লিখলেন আবদুল গাফ্‌ফার। পাঠকদের উদ্দেশ্যে তার সেই লেখনি তুলে ধরেন হুবহু:- ঢাকা-১৮ আসনের জাতীয় সংসদের উপনির্বাচন চলাকালে রাজধানীতে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাঁচ ঘণ্টায় ১০টি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এই স’/ন্ত্রা’/স দমন ও স’/ন্ত্রা’/সী’/দে’/র ধরার ব্যাপারে পুলিশ ও র‌্যাব অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় কয়েকটি মামলা হয়েছে এবং কয়েক ব্যক্তি গ্রেপ্তারও হয়েছে। আশা করা যায়, এই দু’/র্বৃ’/’/ত্ত’/রা সহসাই ধরা পড়বে, তাদের পরিচয় ও কাজের উদ্দেশ্যও জানা যাবে। আমার এই লেখাটি যখন পাঠকরা পড়বেন, তখন হয়তো পুলিশ এই বাস ও সরকারি গাড়ি পো’/ড়া’/নো’/র’/ পেছনে কাদের হাত কাজ করছে এবং কী উদ্দেশ্যে তারা রাজধানীতে এই স’/ন্ত্রা’/স’/ ঘটিয়েছে, তার উদ্দেশ্য আবিস্কার করে ফেলবে এবং অ’/গ্নি’/সং’/যো’/গ’/কা’/রী’/ গু’/ন্ডা’/দের একটি বড় অংশকে ধরে ফেলবে।
গত বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভিন্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটেছে এবং লন্ডনে বসে সঙ্গে সঙ্গে এই স’/ন্ত্রা’/সী’/ হা’/ম’/লা’/র’/ কথা জানতে পারি। আমার প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল, ঢাকায় আবার ’ইসলামী জঙ্গিবাদের’ কি আবির্ভাব ঘটেছে। ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়ায় সম্প্রতি জ’/ঙ্গি’/রা’/ যে হ’/ত্যা’/কা’/ণ্ড’/ ঘটিয়েছে, তা থেকে বাংলাদেশে আত্মগোপনে থাকা জ’/ঙ্গি’/রা বুঝি আবার তৎপর হয়ে ওঠার সাহস পেয়েছে।

কিন্তু একটি টেলিফোন কথোপকথন ধরা পড়ায় এখন মনে হচ্ছে এটি তথাকথিত ইসলামী জ’/ঙ্গি’/বা’/দে’/র কাজ নয়। এটি বিএনপির যুবদলের কাজ। হয়তো সঙ্গে জামায়াতের ছাত্রশিবিরের স’/ন্ত্রা’/সী’/দে’/র’/ সহায়তা আছে। যে টেলিফোন কথোপকথনটি ধরা পড়েছে, তা হয়েছে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর মধ্যে। এই ফোনালাপে দেখা যায়, ফরিদা ইয়াসমিন তার নেতাকে পার্টি অফিসে বসে জানাচ্ছেন, ’’ফরিদা- ’স্টাফ গাড়ি থাকে না, পুলিশের স্টাফ গাড়ি, ওগুলোর মধ্যে আ’/গু’/ন দিয়েছে।’ নিতাই রায়- ’কয়টা গাড়ি?’ ফরিদা- ’যুবদলের ছেলেরা আ’/গু’/ন দিয়েছে।’

ফোনালাপের ঘটনা এখানে উদ্ৃব্দত করলাম না। কারণ, সামাজিক মাধ্যমে এই ফোনালাপ এখন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। এই ফোনালাপ কি মিথ্যা? বিএনপি মহাসচিব রিপোর্টার্স ইউনিটির ভবনে সাংবাদিকদের বলেছেন, বিএনপিকে ধ্বং’/স’/ করার জন্য আওয়ামী লীগের এটা সাবোটাজ। আ’/গু’/ন লাগিয়ে এই গাড়ি পো’/ড়া’/নো’/র’/ কাজটা আওয়ামী লীগের। দেশে আন্দোলন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতেই সেই আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে আওয়ামী লীগের কারসাজি।’’


নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকরা বিএনপি মহাসচিবের এই বক্তব্য বিচার করতে বসে প্রথমেই একটি প্রশ্নের সম্মুখীন হবেন। ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন চলাকালে এই জ্বা’/লা’/ও-পো’/ড়া’/ও স’/ন্ত্রা’/স কেন? নির্বাচন বানচাল করার জন্য কি? আওয়ামী লীগ নির্বাচনে জেতা দল। এই নির্বাচনেও তারা জিতেছে। তাহলে তারা নির্বাচন বানচাল করতে যাবে কেন? নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করে থাকে পরাজয়ের সম্মুখীন দল। এ ক্ষেত্রে সন্দেহটি প্রথমেই পড়ে বিএনপির ওপরই। গাড়ি পোড়ানো শুরু হয় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকেই।

আরও একটি বিষয় পর্যবেক্ষকরা বিবেচনা করবেন, তা হলো এই স’/ন্ত্রা’/সে’/’র’/ ধরনটা কী? আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে স’/শ’/স্ত্র গ’/ণ’যু/’দ্ধে/’র/ দ্বারা, গু’/ন্ডা’/মি’/র দ্বারা নয়। এরশাদ ও খালেদা জিয়াকে ক্ষমতা থেকে বিতাড়নের আন্দোলনও ছিল বিশাল গণআন্দোলন। রাস্তাঘাটে গু’/ন্ডা’/মি’/ করে, সরকারি-বেসরকারি যানবাহনে গোপনে চোরের মতো আ’/গু’/ন দিয়ে নিরীহ নরনারী-শিশু হ’/ত্যা’/ আওয়ামী লীগের আন্দোলন নয়। এই সন্ত্রাসের ট্রেডমার্ক বিএনপি এবং তাদের ’পরমাত্মীয়’ জামায়াতিদের। ঢাকায় সাম্প্রতিক গাড়ি পোড়ানোর সন্ত্রাসেও বিএনপির সন্ত্রাসের ট্রেডমার্কটি দেখা যায়। এ সম্পর্কে দলটির মহাসচিব কী বলবেন?

নিতাই রায় চৌধুরী ও ফরিদা ইয়াসমিনের ফোনালাপ সম্পর্কে বিএনপি মহাসচিব কী বলতে চান? এই ফোনালাপ কি মিথ্যা? আওয়ামী লীগ কি নিতাই রায় চৌধুরী এবং ফরিদা দু’জনেরই গলার স্বর হুবহু নকল করে বাজারে ছেড়েছে? যদি ছেড়ে থাকে তাহলে বিএনপির দুই নেতারই (নিতাই রায় চৌধুরী এবং ফরিদা ইয়াসমিন) উচিত সংবাদ সম্মেলন ডেকে এই গলার স্বর যে নকল তা প্রমাণ করে দেওয়া! সাংবাদিকরা এবং পুলিশও তাদের খোঁজ করছে ব্যাপারটি জানার জন্য। তারা সাংবাদিকদের মুখোমুখি না হয়ে পালালেন কেন? দু’জনেই আত্মগোপনে গেলেন কোন সত্য গোপন রাখার জন্য?

গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় বিভিন্ন স্থানে দশটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। সৌভাগ্যক্রমে আগের আ’/গু’/ন-স’/ন্ত্রা’/সে’/র মতো এবারের স’/ন্ত্রা’/সে’/ কে’/উ হ’/তা’/হ’/ত হয়নি। পুলিশ ও র‌্যাবকে ধন্যবাদ। তারা এই স’/ন্ত্রা’/স/ দমনে ত্বরিত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। কয়েকজন স’/ন্ত্রা’/সী’/কে’/ ধরা হয়েছে। অন্যদেরও ধরার জন্য চিরুনি অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। শিগগিরই একটি উপনির্বাচনকালে এই স’/ন্ত্রা’/স’/ কারা চালিয়েছে, তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল, তার সবই জানা যাবে। তাই বিএনপির নেতাদের বলি, তিষ্ঠ ক্ষণকাল। সন্ত্রাসের রাজনীতির হোতাদের চেহারা আবারও আয়নায় ধরা পড়বে।

আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে হটানো এবং আগের সাধারণ নির্বাচন বানচালের জন্য আড়াই থেকে তিন বছর ধরে গাড়িতে, বাসে, দোকানে, এমনকি নির্জন পথের পথচারীকে, শিশুকোলে মায়ের শরীরে আ’/গু’/ন লাগিয়ে বিএনপি-জামায়াত যে ভ’/য়া’/ব’/হ স’/ন্ত্রা’/স’/ শুরু করেছিল এবং হাসিনা সরকারকে যে স’/ন্ত্রা’/স’/ কঠোর হাতে দমন করতে হয়েছিল, তার সঙ্গে গত বৃহস্পতিবারের স’/ন্ত্রা’/সে’/র’/ প্যাটার্ন অভিন্ন। তাতে দেশের অনেকের মতো আমারও সন্দেহ হয়, এই আ’/গু’/নে’/ পু’/ড়ি’/য়ে মা’/রা’/র’/ স’/ন্ত্রা’/স বিএনপির যুবদলের একার কাজ নয়, আগেকার স’/ন্ত্রা’/সে’/র’/ মতো এই স’/ন্ত্রা’/সে’/র’/ সঙ্গে জামায়াতের ছাত্রশিবিরের ক্যা’/ডা’/র’/দে’/রও যোগ রয়েছে।

সম্প্রতি দেখা যায়, প্যারিসে ও ভিয়েনায় জে/’/হা’দি/স্ট’/দের হ’/ত্যা’/কা’/ণ্ডে’/ বাংলাদেশে পরাজিত ও বিপর্যস্ত জে’/হা’/দি’স্ট/’/রা-বিশেষ করে জামায়াতি স’/ন্ত্রা’/সী’/রা’/ উৎসাহী হয়ে আবার বিএনপির কাঁধে ভর দিয়ে না’/শ’/ক’/তা’/মূ’/ল’/ক তৎপরতা শুরু করার চেষ্টা শুরু করেছে। সূচনাতেই তাদের কঠোর হাতে দমন করা উচিত। নইলে বিষবৃক্ষের চারা আবার মহিরুহে পরিণত হতে দেরি হবে না। হালে দেখা যাচ্ছে আ’/ত্ম’/গো’/প’/নকারী জামায়াতিরা- বিশেষ করে ছাত্রশিবিরের সন্ত্রাসীরা শুধু বিএনপি নয়, হেফাজতিদের কাঁধে চড়েও বাংলাদেশে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইছে।

সম্প্রতি প্যারিসের ঘটনা ও ফরাসি প্রধানমন্ত্রীর উক্তির প্রতিবাদে হেফাজতিদের ব্যানারের তলে দেশের সব মাদ্রাসাছাত্রকে ঢাকায় এনে ’বিশাল সমাবেশ’ করা হয়েছিল। এই সমাবেশ থেকে সরকারকে চব্বিশ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছিল, ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য। এট ছিল একটি রাজনৈতিক হু’/ম’/কি’/। মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের তীব্র প্রতিবাদ করেছে। কিন্তু দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা বলেনি।

এখন খবর পাওয়া যাচ্ছে, হেফাজত নেতা আল্লামা শফী এতদিন হেফাজতে জামায়াতিদের অনুপ্রবেশ ও প্রভাব বিস্তার ঠেকিয়ে রেখেছিলেন। এখন তার মৃ’/ত্যু’/র’/ সুযোগ নিয়ে হেফাজতের সেক্রেটারি জেনারেল বাবুনগরী জামায়াতিদের সঙ্গে আঁতাত গড়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই চেষ্টা তিনি আল্লামা শফী বেঁচে থাকতেও করেছিলেন। কিন্তু আল্লামা শফীর বিরোধিতায় তা পারেননি। এখন বয়োবৃদ্ধ নেতার মৃ’/ত্যু’/তে’/ সেই সুযোগ পেয়ে হেফাজতের নেতৃত্ব দখলের চেষ্টায় মেতে উঠেছেন। তাকে বাধা দিচ্ছে আল্লামা শফীর পরিবার ও তার বিশাল অনুসারীরা। মনে হয় হেফাজত এখন জামায়াত সমর্থক ও জামায়াত-বিরোধী দুই ভাগে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। আজ হোক কাল হোক এই বিভক্তি ঘটতে পারে।

এই বিভক্তি ঘটুক অথবা না ঘটুক, বাবুনগরীর নেতৃত্বে হেফাজত বা তার অংশবিশেষও যদি জামায়াতের সঙ্গে যায়, তাহলে দেশে আবার মৌলবাদী জ’/ঙ্গি’/ উৎপাত নতুন চেহারায় দেখা দিতে পারে। যদি দেখা দেয়, তাহলে বিএনপি আন্দোলনের নামে আবার জ্বালাও-পোড়াও স’/ন্ত্রা’/স’/ শুরু করতে উৎসাহী হতে পারে। বৃহস্পতিবার সারা ঢাকায় বাস পো’/ড়া’/নো তারই ইঙ্গিত বহন করছে। বিএনপি এই স’/ন্ত্রা’/স’/কে’/ই নাম দেবে আন্দোলন। জনতাকে পু’/ড়ি’/য়ে’/ মা’/রা’/র এই ’নৃ’/শংস’/তা’/কে’/ নাম দেওয়া হবে জনতার আন্দোলন। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব (উসকানি) দেওয়ার জন্য তারেক রহমান তো লন্ডনে ঘাঁটি গেড়ে বসে আছেনই।

স’/ন্ত্রা’/স দ্বারা মানুষের স’/ম’/র্থ’ন জয় করা যায় না। বরং মানুষকে দূরে ঠেলে দেওয়া হয়। অতীতে বিএনপি তার স’/ন্ত্রা’/সী’/ কার্যকলাপের পরিণতি থেকে কোনো শিক্ষাই নেয়নি? বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ হওয়ার আগে কয়েকজন বাম নেতা বঙ্গবন্ধুকে আত্মগোপনে গিয়ে তার দলকে সন্ত্রাসে নামিয়ে পাকিস্তানি শাসন উৎখাতের পরামর্শ দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু তাতে রাজি হননি। বলেছেন, স’/শ’/স্ত্র যু’/দ্ধ আর স’/ন্ত্রা’/স এক ব্যাপার নয়। কোনো মহৎ কাজ স’/ন্ত্রা’/স দ্বারা করা যায় না। তিনি উদাহরণ দেখিয়েছিলেন, প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতা অর্জন একটি মহৎ কাজ। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হওয়ার বহু আগে প্যালেস্টাইনের মুক্তিযোদ্ধারা আজ পর্যন্ত স্বাধীনতা অর্জন করতে পারেনি।

উপমহাদেশের স্বাধীনতা অর্জনেও অনুশীলন ও যুগান্তর পার্টির ভারতব্যাপী স’/ন্ত্রা’/স সৃষ্টি ত্রিশের দশকে কোনো কাজ দেয়নি। কিন্তু গান্ধীর অ’/হিং’/স অসহযোগ আন্দোলন এবং সুভাষের স’/শ’/স্ত্র যু’/দ্ধ’/ এই স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব এবং ত্বরান্বিত করেছে। বাংলাদেশের বিএনপি আসলে একটি নীতিনিষ্ঠ রাজনৈতিক দল নয়। ক্ষমতা দখল ছাড়া তাদের কোনো রাজনৈতিক লক্ষ্য এবং আদর্শ নেই। ফলে জনসমর্থনও নেই তাদের পেছনে।

বিএনপি অহরহ সরকারবিরোধী আন্দোলনের কথা বলছে, কিন্তু আন্দোলনে নামছে না। এ সম্পর্কে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, সরকার তাদের আন্দোলন করতে দিচ্ছে না। তাদের ধরপাকড় ও নি’/র্যা’/ত’/নে’/র’/ ফলে বিএনপির নেতাকর্মীরা আন্দোলনে নামতেও পারছে না। মির্জা সাহেবের এটা একটা খোঁড়া অজুহাত। কোনো দেশের সরকারই চায় না, তাদের বিরোধী পক্ষ আন্দোলনে নামুক। কিন্তু বিরোধী পক্ষ তবু জনসমর্থনের জোরে আন্দোলনে নামে। ১৪৪ ধারা ও কারফিউ ভাঙা, জেলের তালা ভেঙে নেতাকে মুক্ত করা বাংলাদেশ ও বাঙালির রাজনীতির চিরন্তন ট্র্যাডিশন। বিএনপি তাহলে সেই ট্র্যাডিশনের অনুসরণ করে সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামছে না অথবা নামতে পারছে না কেন?

এই প্রশ্নের একটিমাত্র জবাব, বিএনপির পেছনে কোনো জনসমর্থন নেই। তাদের হাতে এমন কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নেই, যার পক্ষে জনমত গঠন করে আন্দোলন করা যায়, সেই আন্দোলনে জনগণকে টানা যায়। নিরপেক্ষ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিটি যখন পপুলার ছিল, তখন এই দাবিটি তুলে আওয়ামী লীগ জনসমর্থন পেয়েছে এবং জনসমর্থনের জোরেই দাবি আদায় করতে পেরেছে। আওয়ামী লীগকে স’/ন্ত্রা’/সে’/ নামতে হয়নি। তারপর এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতিটি যখন বিএনপির দ্বারাই কলুষিত হয়েছে এবং আর পপুলার দাবি থাকেনি, তখন এই কলার খোসা নিয়ে বিএনপি আন্দোলন করতে গিয়ে পা পিছলে আছাড় খেয়েছে। বিএনপিকে আন্দোলন করার জন্য জনগণের নাড়ির স্পন্দন বুঝতে হবে। যেটা শেখ হাসিনা ভালোভাবে বোঝেন। কিন্তু খালেদা, তারেকসহ বিএনপির কোনো নেতাই তা বোঝেন না। বুঝলে গত সাধারণ নির্বাচনের যু’/দ্ধে’/ জেতার জন্য তারা কিছু খোঁড়া ঘোড়া ভাড়া করে আনতেন না।

স’/ন্ত্রা’/স’/ দ্বারা কোনো রাজনৈতিক লক্ষ্যই অর্জন করা যায় না। বিএনপিও অর্জন করতে পারবে না। গত বৃহস্পতিবারের স’/ন্ত্রা’/স’/ দ্বারা তারা যদি কিছু অর্জন করতে চেয়ে থাকেন, তা ব্যর্থ হয়েছে। জামায়াতি এবং হেফাজতিদের বাবুনগরী অংশ জোট বেঁধেও যদি সহিংস রাজনীতিতে নামে তাহলে তারাও শো’/চ’/নী’/য়’/ভা’/বে’ ব্যর্থ হবে। কারণ, জনসমর্থন তাদের পেছনে নেই। আওয়ামী লীগ সরকারকে লক্ষ্য রাখতে হবে এই জনসমর্থন যেন তারা ধরে রাখতে পারে। অন্যদিকে এই স’/ন্ত্রা’/স’/ কঠোর হাতে নির্মূল করতে হবে।

এ দিকে এই ঘটনার সাথে জড়িত হিসেবে ইতিমধ্যে বিএনপির ১০ জন নেতা কর্মিকে আটক করা হয়েছে। আর সেই সাথে তাদের নেয়া হয়েছে রিমান্ডেও। বিশেষ করে এই ঘটনা নতুন করে আবারো আলোচনায় এসেছে বিএনপি। কারন এই ঘটনার সাথে বিএনপির দুজন নেতা কর্মি জড়িত থাকার একটি ফোন রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। আর এই কারনেই আবারো নতুন করে বেশ চাপের মধ্যে পড়েছে বিএনপি।

আরো পড়ুন

মেয়ের গোপন ভিডিও রেকর্ড করতেন মা, ভিডিও প্রতি টাকা দিতেন জামাই

23 November, 2020 | Hits:2304

প্রতিটি মানুষের জীবনে এমন এমন কিছু ঘটনা ঘটে থাকে যা মানুষকে করে তোলে অবাক। বর্তমান পৃথিবীতে সম্পর্কগুলোও কেমন যেন হয়ে যা...

অবশেষে জানা গেল কেন মৃত তরুণীদের ভোগের বস্তু বানাতেন সেই মুন্না

23 November, 2020 | Hits:1235

সারা দেশে একটি ঘটনা বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। আর এই ঘটনাটি প্রকাশ হবার পর থেকেই মানুষে মধ্য সৃষ্টি হয়েছে একটি আতঙ্ক। না...

যেদিন শুনলাম সাকিব পূজা উদ্বোধন করতে যাবে, আনন্দে বুকটা ভরে উঠেছিল:বিচারপতি মানিক

23 November, 2020 | Hits:968

সাকিব আল হাসান, বাংলাদেশের সব থেকে জনপ্রিয় একটি নাম। দেশের সব থেকে বড় ক্রিকেটার তিনি। সব সময়ই থাকেন দেশের আলোচনায়। তবে স...

সেদিন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে করা সেই প্রশ্নের জবাব দেননি জিয়া,অস্থিরভাবে হাতঘড়ির দিকে তাকাচ্ছিলেন:খুশবন্ত

22 November, 2020 | Hits:495

বাংলাদেশের ইতিহাসে দুটি নাম সব থেকে বেশি জনপ্রিয়। একটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এবং অপরজন মেজর জিয়া বা জিয়াউর রহমান। দ...

অবশেষে গোল্ডেন মনিরের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন ওবায়দুল কাদের

24 November, 2020 | Hits:286

সম্প্রতি বাংলাদেশের টক অব দ্য টাউনে পরিনীত হয়েছে একটি নাম। আর তা হলো গোল্ডেন মনির। এই নামটি এখন সারা দেশে উচ্চারিত একটি ...

নারী কাউন্সিলর এক চামেলীর দাপটেই অসহায় পুরো রেল কর্তৃপক্ষ

22 November, 2020 | Hits:244

বাংলাদেশ রেলওয়ে, বাংলাদেশের সরকারি খাতের সব থেকে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। প্রতিবছরই এই রেলখাতে ঘাটতি থাকে ব্যাপক পরিমানে। এ দ...