বাংলাদেশের টক অব দ্যা টাউন এখন একটাই। আর তা হলো ব্যারিস্টার মওদুদ। পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে সবাইকে কাদিয়ে চলে গেলেন পরপারে। তাকে নিয়ে এখন সবখানে বইছে শোকের ছায়া। প্রবীণ এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এখন সবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন নিয়ে সকলেই আলোচনা করছেন। সম্প্রতি তাকে নিয়ে একটি বিশেষ লেখনি লিখেছেন দেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক ব্যক্তিত্ব জনাব গোলাম মর্তুজা। পাঠকদের উদ্দেশ্যে তার সেই লেখনি তুলে ধরা হলো হুবহু:-

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

কোনো সন্দেহ নেই, অসাধারণ প্রতিভাবান মানুষ ছিলেন মওদুদ আহমদ। মূল্যায়ন করেছেন বঙ্গবন্ধু,জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া, সেনা নির্দেশিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কাল।
জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া সরকারের ক্ষমতাবান মানুষ ছিলেন মওদুদ আহমদ।সাংবাদিকতার কারণে তার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল। অসংখ্যবার কথা বলেছি, লিখেছি।কখনও কোনোদিন তার কথা বিশ্বাস করতে পারিনি।সত্য বললেও মনে হয়েছে তিনি হয়ত সত্য বলছেন না। মওদুদ আহমদের নিজের কোনো আদর্শ-নীতি বা বিশ্বাস ছিল না।ছিল তীব্র মোহ, ক্ষমতার প্রতি।



তার লেখা মূল্যবান,তবে নির্মোহ মূল্যায়ন কী বলা যায়?আমার বিবেচনায় যায় না।যেমন তিনি জিয়া, এরশাদ বা খালেদা জিয়া সরকারের খারাপ বা ক্ষতিকর কর্মকান্ডের মূল্যায়ন করেছেন।সেই সব কর্মকান্ডের অনেকগুলো যে তার বুদ্ধি-পরামর্শে হয়েছে,তা তিনি লেখেন নি।সেই সময় তার নিজের ভূমিকা কী ছিল,তা পরিস্কার করেন নি।
ফলে মওদুদ আহমদের রাজনৈতিক লেখা বা মূল্যায়ন নির্মোহ ছিল না।নিজে যে ঘটনার কেন্দ্রে অবস্থান করেছেন,লেখার সময় নিজেকে অদৃশ্য রেখে লিখেছেন,মূল্যায়ন করেছেন।লেখার ক্ষেত্রেও সততার পরিচয় দেন নি।
যদিও তার লেখা বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে থাকবে।
মওদুদ আহমদ তার পান্ডিত্যের পুরোটাই ব্যয় করেছেন নিজেকে ক্ষমতাবান রাখার কৌশলে।দেশ তার থেকে কতটা উপকৃত হয়েছে,আদৌ হয়েছে কি না-সেই প্রশ্নে তর্ক বিতর্ক বহুকাল অব্যাহত থাকবে।

এ দিকে মওদুদের ম\’/র\’/দে\’/হ এখনো আনা হয়নি বাংলাদেশে। জানা গেছে আগামীকাল তাকে নিয়ে আসা হবে দেশে। এরপর বেশ কয়েকটি জানাজা শেষে তাকে সমাহিত করা হবে তার বাবা মায়ের পাশেই।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display