বাংলাদেশ অর্থপাচার করাতে অন্যতম দেশে পরিণীত হয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ায় অর্থ পাচার করার মধ্যে বাংলাদেশ প্রতিনিয়তই শীর্ষ স্থান ধরে রাখে। সম্প্রতি এমনই একটি বিষয় নিয়ে বড় ধরনের বিস্তারিত লেখা লিখেছেন বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব আব্দুন নূর তুষার। পাঠকদের উদ্দেশ্যে তার সেই লেখনি তুলে ধরা হলো:-

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

একটু আগে একজন আমাকে বললেন টাকা-পয়সা লোপাট সারা পৃথিবীতে হয়।

লোকে ঋণ খেলাপী হয়। ভুয়া সম্পদের অর্থমূল্য দেখিয়ে জামানত হিসেবে সেটা ব্যবহার করে ঋণ নেয়। নানারকম জালিয়াতি করে।

তার মূল বক্তব্য হলো এসব নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে। উন্নয়নের ফলে সৃষ্ট আবর্জনা বা পায়খানা হিসেবে এসব ঘটবে।

আমার আপত্তিটা সেখানেই।

চুরি, জালিয়াতি সারা দুনিয়াতে হয়। কিন্তু খারাপ ঋণের তালিকায় দক্ষিণ এশিয়াতে শীর্ষস্থানটি বাংলাদেশের দখলে থাকবে কেন?

উন্নয়নের মাধ্যমে সৃষ্ট সম্পদ দূর্নীতিবাজদের পৃষ্ঠপোষকতায় কিছু লোক লুট করে নেবে?

টাকা কামালেই হবে? ব্যবস্থাপনার দরকার নাই? নিরাপত্তার দরকার নাই?

দেশে নাকি স্কুলের শিশুরা টাকা রেখেছে ১৯৫০ কোটি ৮৬ লাখ মাত্র। আমি জানতে চাইলাম ২০০০ কোটি মেরে দিয়েছে এমন খেলাপী কয়জন?

তারমানে এই শিশুদের টাকাটাও কারো পকেটে আছে? এই ২০০০ কোটি কার পকেটে?

উনি উত্তর দিলেন আমরা সঞ্চয় নিয়ে কথা বলব। লুটপাট নিয়ে না। মানে কেউ জমাবে আর কেউ মেরে দেবে। আমরা জমানো নিয়ে কথা বলব, মেরে দেওয়া নিয়ে বলব না।

কেন অর্থ লোপাটকারীর কাছ থেকে ঘুষ খাওয়ার আঙুল উঠবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দিকে?

কেন বিচার হবে না? আমানতকারীরা তার টাকা ফেরত পাবেন না?

টিকা তৈরি হলে সেটা সাথে সাথে শিখতে পারেন। আনতে পারেন দিতে পারেন। আর অন্য দেশে চুরি হলে সেটা যেভাবে হয়েছে সেটা দেখে নিয়ে আগাম নিরাপত্তা দিতে পারেন না?

পিজাহাট, কেএফসি শিখতে পারেন আর সাইবার সিকিউরিটি শিখতে পারেন না?

চুরি হয়েছে দুনিয়ায় অন্য দেশে, এটা দেখে আগেই কেন ব্যবস্থা নেন না?

বড় বড় খেলাপীদের পালা পোষা কি উন্নয়ন?

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে মানুষের আমানতের তদারকী করতে পারেন না , এর জন্য লজ্জা পাওয়া উচিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের।

বেশরমের মতো একজন কর্মকর্তা বললেন, এটা নিয়ে কথা বলা ঠিক না। আদালত দেখবে।

আদালত নিজেই বারবার বিরক্তি প্রকাশ করেছেন এদের এহেন কাজকর্মে।

আদালতের কাছেই তাহলে আমানত জমা রাখতে দেন। আপনারা আছেন কি করতে?

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা লুটপাটের কাহিনী আছে বাংলাদেশ আর রাশিয়ায়। খুব বেশি দেশে সেন্ট্রাল ব্যাংক লুটের গল্প পাবেন না।

আমাদের দেশের টাকা লুট করার পরেও আমরা কোনো দায়ী ব্যক্তি খুঁজে পাই নাই।

জাতির জনকের বলে যাওয়া চোর আর চাটার দলের বংশবিস্তার এমনভাবে হয়েছে যে , তারা প্রকাশ্যে বলে , এসব কোন ব্যাপার না।

উন্নয়ন হলে এরকম হবেই।

যদি রাত পোহালে শোনা যেতো বঙ্গবন্ধু মরে নাই......

এই সব চোরদের নিজেদের দাঁত, হাতে নিয়ে ঘুরতে হতো।


বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে আব্দুন নুর তুষার অন্যতম বড় একটি নাম। বিশেষ করে দেশের করোনাকালীন সময়ে তিনি সব থেকে বেশি আলোচনায় ছিলেন। করোনাকালীন সময় থেকে তিনি নানা ধরনের পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় থেকেছেন তিনি। এ ছাড়াও দেশের সমসাময়িক অনেক বিষয় নিয়েও লিখে থাকেন তিনি।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display