রাজধানীর ২৯২টি বাসা থেকে পানি দূষিতের অভিযোগ দিয়েছে ঢাকা ওয়াসার কাছে। গত তিন মাসে ওয়াসার ১৬১৬২ এই হটলাইনে ফোন করে গ্রাহকরা অভিযোগ দেন। এসব দূষিত পানি ওয়াসার তিনটি ল্যাবে পরীক্ষা করা হবে। পানি পরীক্ষায় প্রায় ৭৬ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক হাজার ৬৪টি নমুনা পরীক্ষায় খরচ ধরা হয়েছে ৭৫ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ টাকা।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু।
গত ১৩ মে এই পানি পরীক্ষার ব্যয় প্রতিবেদন আকারে দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু দাখিল না করে এক সপ্তাহ সময় চাওয়ায় হাইকোর্ট বলে, হাইকোর্টকেই হাইকোর্ট দেখাচ্ছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করা না হলে সংশ্লিষ্ট কমিটির অতিরিক্ত সচিবকে তলব করা হবে। আদালতের কঠোর এই বার্তার পরই বুধবার এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
গত ৮ মে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয় আদালতে। এতে পানি পরীক্ষায় কমিটি গঠন ও কমিটির কার্যপরিধি তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি অর্থ বরাদ্দ হলে চার মাসের মধ্যে পানি পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
বাংলাদেশ জার্নাল