২০১৭ সালের হিসাব থেকে সরকারের কোষাগারে লভ্যাংশ হিসেবে ৪০ কোটি টাকা দিয়েছিল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। এবার ২০১৮ সালের হিসাব থেকে লভ্যাংশ হিসেবে এই টাকা দিল প্রতিষ্ঠানটি সরকারের কোষাগারে দিয়েছে ৫০ কোটি টাকা।অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের কাছে এই টাকার চেক হস্তান্তর করেছে কর্পোরেশনটি। আগের তুলনায় ১০ কোটি টাকা বেশি প্রদান করেছে এই রাষ্ট্রায়ত্ত নন-লাইফ প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। আজ বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ চেক হস্তান্তর করা হয়।।
এ সময় সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার আহসান, পরিচালনা পর্ষদের সসদ্য ও কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তবে ৫০ কোটি টাকা লভ্যাংশে খুশি নন অর্থমন্ত্রী। তিনি সাধারণ বীমা কর্পোরেশনকে কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকা লভ্যাংশ দিতে বলেছেন। সরকারের বড় বড় প্রকল্প এই বীমার আওতায় আসায় সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ বলেছেন, তারা আগামী বছর ১০০ কোটি টাকা লভ্যাংশ দিতে পারবেন।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশন সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মাতারবাড়ি পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ইত্যাদির বীমা কভারেজ প্রদান করছে।

২০১৮ সালে কর্পোরেশন বীমা ও পুনঃবীমা খাতে মোট ৩৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা গ্রস বীমা দাবি পরিশোধ করেছে।


প্রসঙ্গত, সরকারি এই বীমা সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত একমাত্র সাধারণ বা নন-লাইফ বীমা ব্যবসায় পরিচালনা করে আসছিলো। বাংলাদেশের বীমা বাজারের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রতিষ্ঠানটির দখলে। বাংলাদেশের সরকারি বীমা ব্যাবসায়ের ৫০% নিয়ে এটি কাজ করে। বীমা কর্পোরেশন আইন (সংশোধীত) ১৯৯০ অনুসারে দেশের সরকারি সম্পত্তির ঝুঁকি বীমা সাধারণ বীমা কর্পোরেশনে করা বাধ্যতামূলক।