বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনকে বলা হয় গণভবন। এই গণভবনে প্রধানমন্ত্রী বাস করেন এ ছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন বৈঠকও এখানে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।যার ফলে গণভবনে অনেক মানুষ যাতায়ত করে থাকে। বিশেষ করে রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গরা এখানে বেশি যাতায়ত করে থাকে। তবে অনেক সময় দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রনেও সব সময় অনেকের যাতায়ত থাকে এই গণভবনে। তবে এবার গণভবনে নিজের অনেকের আত্মিয় স্বজনদের প্রবেশ নিষেধ করে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। সংবাদ মাধ্যমকে এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
তিনি বলেছেন, ’শেখ হাসিনার নৈতিকতা থেকে আমাদের আজ অনেক কিছু শেখার আছে। তিনি আজ দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তা নজিরবিহীন। তার অনেক আত্মীয়-স্বজনকে গণভবনে ঢোকা বন্ধ করে দিয়েছেন’,

শুক্রবার (১ নভেম্বর) এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন। রেজাউল করিম আরো বলেন, শেখ হাসিনার সততাকে আমরা কাজে লাগিয়ে দেশকে আরও উন্নত করতে চাই। তার মতো একজন প্রধানমন্ত্রী এ দেশে আর আসবে কিনা সন্দেহ আছে। তিনি সারাদিন দেশের ও দেশের মানুষের কল্যাণের চিন্তা করেন।

প্রসঙ্গত, গণভবনে প্রবেশ নিষেধ আর আগেও হয়েছে। আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বিরুদ্ধে নানা অভিযগের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক শোভন-রব্বানীকে গণভবনে প্রবেশে নিষেধ করে দেন। এর পর যুবলীগের বিতর্কিত কয়েকজন নেতাদেরও গণভবনে প্রবেশের পাস বাতিল করে দেন।