বাংলাদেশের বিএনপির ক্ষমতা আমলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এক সময়ে ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানও। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বও তিনি। তবে এবার সড়ে দাড়াচ্ছেন বিএনপি থেকে। আর এখবর নিজেই জানিয়েছেন মোরশেদ খান। ইতিমধ্যেই নিজের অভ্যতি পত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন বিএনপির কাছে। এবার তিনি একটি জনপ্রিয় অনলাইনে কথা বললেন এ সকল বিষয়গুলো নিয়ে।তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতি এখন আর রাজনীতি নেই। এরা স্কাইপের মাধ্যমে রাজনীতি করতে চায়। এটি করে বাংলাদেশের রাজনীতিতে টিকে থাকা সম্ভব নয়।
পদত্যাগপত্র কার কাছে জমা দিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কাছে লেখা পদত্যাগপত্র আমার ব্যক্তিগত সহকারীর (পিএস) মাধ্যমে মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) রাতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে পাঠিয়েছি।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খান বলেন, শুধু বিএনপি নয়, আমি আর কোনো রাজনীতি দলের সঙ্গেই থাকবো না। সব ধরনের রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

১/১১’র সরকারের পরে দলীয় রাজনীতিতে অনেকটা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন জোট সরকারের সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ২০১৬ সালের কাউন্সিলে তাকে দলের ভাইস চেয়ারম্যানের পদ দেওয়া হয়েছিল।

রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সমর্থন আছে বলেও তিনি জানান।

পদত্যাগপত্রে মোরশেদ খান লিখেছেন, আজ অনেকটা দুঃখ ও বেদনাক্লান্ত হৃদয়ে আমার এই পত্রের অবতারণা। মানুষের জীবনের কোনো না কোনো সময়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেই হয়, যার প্রভাব সুদূরপ্রসারী। আমার বিবেচনায়, সে ক্ষণটি বর্তমানে উপস্থিত এবং উপযুক্তও বটে।

একইসঙ্গে রাজনীতির অঙ্গনে নিজের দীর্ঘকালের পদচারণা, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের সংগ্রাম এবং দেশের মানুষের কল্যাণে অবদান রাখার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

বিএনপির এই নেতা বলেন, বিএনপি ও আপনার যোগ্য নেতৃত্বের কাছে কৃতজ্ঞ। তবে, বর্তমানে দেশের রাজনীতি এবং দলের অগ্রগতিতে নতুন কিছু সংযোজনের সঙ্গতি নেই। আমার উপলব্ধি সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়। বহু বিচার-বিশ্লেষণে বিএনপির রাজনীতি থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রাথমিক সদস্যসহ ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করছি। অব্যাহতি দিয়ে বাধিত করবেন।

উল্লেখ্য, বিএনপির এই জৈষ্ঠ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব্য বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছেন এবং রাজনীতি থেকেই অব্যাহতি দিচ্ছেন এসব বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে যায় প্রতিবেদক কথা বলতে যায় বিএনপির নেতা রুহুল কবির রিজভী বলেন,পদত্যাগপত্রটি এখনো পাইনি।এর পর ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার একান্ত সহযোগী বলেন, স্যার এখন মিটিং এ আছেন,কথা বলতে পারবেন না। এর পর তার সহকারীর কাছে মোরশেদ খানের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন স্যারের কাছে তার পদত্যাগ পত্র আসেনি এখনো।