ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী নাইমুল আবরার রাহাত। ঐ কলেজে অধ্যায়ন করছিলো সে।কিন্তু হঠাৎই যেন শেষ হয়ে গেলো সব। নিভে গেলো তার জীবন প্রদীপ। সম্প্রতি বাংলাদেশের সবথেকে বড় দৈনিক পত্রিকা প্রথম আলোর একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় রেসিডেন্সিয়াল কলেজে। কিন্তু সেই অনুষ্ঠানই যেন কাল হলো নাইমুলের জীবনে। সেই দিন রাতে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মারা যায় নাইমুল। এর পর থেকেই সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে এই ঘটনার কথা। এবার এ ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেছেন, ’যারা অনুষ্ঠান আয়োজন করে, তাদের একটা দায়িত্ব থাকে। রেসিডেন্সিয়ালে একটা ঘটনা ঘটলো। আয়োজকরা এটাকে এতটা নেগলেক্ট করেছে! বাচ্চাটা মারা গেছে, এরপরও ঘটনাটা চাপা দিয়ে অনুষ্ঠান চালিয়ে গেছে। ধানমন্ডিতে এতোগুলো হাসপাতাল, তবুও মহাখালীতে নিয়ে গেলো। প্রথম আলো এই ধরনের একটা ঘটনা কীভাবে ঘটায়? তাদের কোনও দায়বদ্ধতা নেই? ছোট ছোট বাচ্চারা এখানে পড়াশোনা করছে। তাদের নিরাপত্তা না দেখা এটাও তো গর্হিত অপরাধ। এটা তো বরদাশত করা যায় না।’

আজ বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে দুস্থ ও অসচ্ছল সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উল্লেখ্য,গত ১ নভেম্বর ঘটে এই ঘটনাটি। তবে সব থেকে তাজ্জবের যে বিষয়টি তা হলো আবরারের মৃত্যুর খবরটি বেমালুম চেপে গিয়ে কেন গান চললো, অনুষ্ঠান চললো। ঐ দিন বিকাল সাড়ে তিনটার সময় সে আহত হয়েছে, ডাক্তাররা বলছে মারা গেছে। তখনও ঘটনাটা জানানো হয়নি কাউকে। অনুষ্ঠানস্থলের পাশেই ওর ডেডবডিটা ছিল। আর ঐ অবস্থায়ই চললো গান আর অনুষ্ঠান দির্ঘ ২ ঘন্টা যাবত।