সকাল থেকে শুরু হয়েছে ঢাকা সিটি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। আর এই ভোটগ্রহণ নিয়ে অনেকেরই রয়েছে অনেক মতবাদ। অনেক জায়গায় ঘটেছে নানা ধরনের ঘটনা। এদিকে উত্তর বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের পক্ষ থেকে ৩২ টি অভিযোগ নিয়ে ধরনের অসুখ নিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছিল রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে। তবে এসব অভিযোগ শুনতে চান নি রিটার্নিং কর্মকর্তা।এসময় তিনি কফিতে চুমুক দিতে দিতে বলতে থাকেন এত অভিযোগ শোনার সময় নেই লিখিত দিয়ে যান।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া ১টায় অভিযোগ নিয়ে আসেন জুলহাস। এ সময় তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেয়া, মারধরসহ বেশকিছু অভিযোগ নিয়ে এসেছি। এখনই ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে।

জবাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম বলেন, ’অভিযোগ দিয়েছেন, রেখে দিলাম। এখন কথা শোনার সময় নেই। অভিযোগ কি আগেই লিখে রেখেছিলেন না কি?’

জবাবে জুলহাস বলেন, ’আগে কেন লিখে রাখব। আমাদের এজেন্টদের বের করে দেয়া, মারধর করছে নৌকা প্রার্থীর কর্মীরা। অনেকের মাথা ফাটিয়েছে, তারা হাসপাতালে আছে। আজ ভোট, আপনি এখন ব্যবস্থা না নিলে এমনটা হতে থাকবে।’

এ সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম কফি খেতে খেতে বলেন, ’অভিযোগ দিয়েছেন, দেখব। আগেও তো দেখেছি।’

পরে জুলহাস সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, ’তিনি আমার কথাই শুনলেন না। এখন আর দুই-তিন ঘণ্টা সময় আছে, এখনও তিনি ব্যবস্থা না নিলে কখন নেবেন? তিনি ফোন করে খোঁজখবর নিতে পারেন, প্রমাণ পেলেই ব্যবস্থা নেবেন। তিনি তো অভিযোগ রেখেই দিলেন।’


উল্লেখ্য, সকাল থেকে ঢাকার দুই সিটিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ভোট গ্রহণ কেন্দ্র গুলো নিয়ে অনেক অভিযোগ করেছে বিএনপি প্রার্থীরা।এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু অভিযোগ ছিল ভোটকেন্দ্রগুলোতে থাকতে দেয়া হচ্ছেনা বিএনপি’র পোলিং এজেন্টদের। এমনকি তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না ভোট কেন্দ্রগুলোতে। আর এ নিয়ে বিস্ময় ব্যক্ত করেছেন স্বয়ং সিইসিও। তিনি বলেছেন ভোট কেন্দ্রগুলো ঘুরে পাওয়া যায়নি বিএনপির এজেন্টদের।