সারা বিশ্বের বর্তমান সময়ের সব থেকে মাথা ব্যাথার একটি কারন হয়ে দাড়িয়েছে চীনে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস। ইতিমধ্যেই এই ভাইরাস ছড়িয়ে গেছে মহামারি আকারে। চীনের সকলকে রাখা হয়েছে নিবীড় পর্যবেক্ষনে। এ দিকে চীনে অবস্থান করছে অনেক বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি তাদের ফিরিয়ে নেবার উদ্যোগ গ্রহন করে বাংলাদেশ সরকার। এই লক্ষ্যে চীন থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে ৩১৬ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে।

আশকোনা হজ ক্যাম্পে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে চীন থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা ৩১৬ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে। এর মধ্যে একজনের শরীরে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ ফুটে উঠেছে। সাথে সাথে শিক্ষার্থীটিকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর বারোটায় এ তথ্য জানিয়েছেন আইইসিডিআর পরিচালক। তিনি বলেন, এক শিক্ষার্থীর জ্বর ওঠায় তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের প্রথম উপসর্গ হচ্ছে জ্বর।

এর আগে, করোনা ভাইরাসের কারণে চীনের উহান নগরীতে আটকে পড়া ৩১৬ জন বাংলাদেশিকে নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরেছে বিমানের বিশেষ ’রেসকিউ ফেরি ফ্লাইট’ বিজি-৭০০২। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা ৫৪ মিনিটে দেশে ফিরেছে বিমানের বিশেষ ফ্লাইটটি। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিমানের এই বিশেষ ফ্লাইটটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উহানের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।


প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই চীনে ছড়িয়ে পড়া এই মহামারি ভাইরাস ছড়িয়ে গেছে অন্যন্য বেশ কয়েকটি উন্নত দেশে। এমনকি পাশের দেশ ভারতেও দেখা দিয়েছে এই রোগের নানা ধরনের ইঙ্গিত। তবে বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মত শোনা গেলো এই রোগের লক্ষন। চিননের এই ভাইরাস যেভাবে দ্রুত ছড়াচ্ছে সারা বিশ্বে, এটা বাংলাদেশের জন্যও হয়ে যাবে একটি বড় চিন্তার বিষয়। সেক্ষেত্রে সরকারকে অবশ্যই এখন থেকে নিতে হবে কার্যকারী উদ্যোগ।