প্রতিপক্ষ ভারত। সুতরাং, যেমন ইচ্ছা তেমন আউট দিয়ে দিতেই হবে- এমন মানসিকতাই যদি ম্যাচের আম্পায়ার এবং অফিসিয়ালদের থেকে থাকে, তাহলে আর খেলার দরকারই বা কী? আগে থেকে ভারতকে ট্রফিটা দিয়ে দিলেই হয়। সবই তো পূর্বনির্ধারিত।
বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ হওয়া মানেই সেখানে আম্পায়ারের নির্লজ্জ পক্ষপাতিত্ব থাকবেই। সেটা মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে হোক, সেটা এজবাস্টনে হোক কিংবা সেটা দুবাইর ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হোক। বিতর্কিত সিদ্ধান্ত আম্পায়ার দেবেনই। সেটা আউট হোক বা না হোক।
ইনিংসের ৪১তম ওভারের ঘটনা। কুলদীপ যাদবের শেষ বলটি পা বাড়িয়ে খেলতে গিয়েও ব্যাটে-বলে সংযোগ হয়নি। বল চলে যায় উইকেটের পেছনে মহেন্দ্র সিং ধোনির হাতে। আর লিটনের পেছনের পা বেরিয়ে আসার সুযোগ কাজে লাগিয়ে দ্রুত বেলস ফেলে দেন ধোনি।
ভারতীয় ক্রিকেটারদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল করা হয় থার্ড আম্পায়ার রড টাকারের কাছে। তিনি বেশ কয়েকবার স্টাম্পিংয়ের মুহূর্তটি দেখেন। সব বিশ্লেষণেই দেখা যায়, স্টাম্প ভাঙার আগেই লিটনের পা লাইন স্পর্শ করে। এমনকি তার পা মাটিতেই ছিল।
এরপর লিটনের পায়ের অবস্থান ম্যাগনেটিক গ্লাস দিয়েও পর্যবেক্ষণ করা হয়। এমনকি স্টাম্প ক্যামেরা দিয়ে দেখানো হয়। সেখানেও স্পষ্ট দেখা গেল, লিটনের পা লাইন স্পর্শ করার পরই স্টাম্প ভেঙে দেন ধোনি।
আর টেলিভিশনের ধারাভাষ্যে বারবারই মুহূর্তটিকে ক্লোজ বলা হচ্ছিল। কেননা বেনিফিট অব ডাউট, ক্রিকেটীয় আইনে যেটা সবসময় ব্যাটসম্যানের পক্ষেই যায়। লিটনের পায়ের অবস্থান ম্যাগনেটিক গ্লাস দিয়েও পর্যবেক্ষণ করা হয়।
কিন্তু সব নিয়মকে বৃদ্ধা আঙ্গুলি দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়ার আম্পায়ার রড টাকার লিটন দাসকে আউট ঘোষণা করেন । আর থার্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে স্টাম্পড হয়ে সাজঘরে ফেরেন ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলা লিটন। আউট হওয়ার আগে ১১৭ বলে ১২ চার ও দুই ছয়ে ১২১ রান করেন ডানহাতি এই ওপেনার।
লিটনের বিতর্কিত আউট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এমন পরিপ্রেক্ষিতে এই বিতর্কিত আউট দেয়া থার্ড আম্পায়ার রন্ডি টাকারের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বাতিল করে দেয়া হয়েছে।
ডিটি টাইগারর্স সোশ্যাল মিডিয়া সিকিউরিটি টিমের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।