বামহাতি ব্যাটসম্যান ও ডানহাতি ফাস্ট বোলার হিসেবে দলে যোগদান তাসকিন আহমেদের। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে তিনি টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক ও ওডিআই ম্যাচ খেলেছেন ঐ স্পিডষ্টার। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট এবং লিস্ট এ ক্রিকেটে ঢাকা মেট্রোপোলিশ দলে খেলছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে চিটাগং কিংস দলে প্রতিনিধিত্ব করছেন। এছাড়াও, তিনি বাংলাদেশ এ ক্রিকেট দল, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড একাদশ, বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলেছেন। ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ ডাম্বুলায় প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের পঞ্চম বোলার হিসেবে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হ্যাট্রিক করেন। কিন্তু এ সবই যেন তার কাছে অতীত। বর্তমানে তিনি ফর্মের একদম তলানিতে অবস্থান করছেন দীর্ঘদিন ধরেই জায়গা পাচ্ছেন না জাতীয় দলে। শ্রীলংকা সফরে ডাক পেলেও দেখা মেলেনি বল হাতে মাঠে।
এ দিকে সম্প্রতি শ্রীলংকায় তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ধবলধোলাই হয়ে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

বিশ্বকাপের পর প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে পারেননি সাকিববিহীন টাইগাররা।

গত বৃহস্পতিবার মাথা নিচু করেই শাহজালাল বিমানবন্দর অতিক্রম করে তামিম বাহিনী। মিডিয়াকে এড়িয়ে যে যার মতো বাসায় চলে যান।

তবে এ লজ্জার বিষয়টি থেকে অনেকটা ছাড় পেতে পারেন পেসার তাসকিন আহমেদ। দীর্ঘদিন পর স্কোয়াডে জায়গা পেলেও একাদশে জায়গা করে নিতে পারেননি ফাস্ট বোলার তাসকিন আহমেদ।

মাঠে বল হাতে দেখা যায়নি তাকে কোনো ম্যাচেই।

তবু দলের এমন ব্যর্থতার দুঃখকে কিছুটা পুষিয়ে নিতে এবার আনন্দ ভ্রমণে বেরিয়েছেন তিনি।

দেশে ফিরেই পরিবারসহ তুরস্কে গেলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের এ বোলার।

স্ত্রী-সন্তানসহ তুরস্কের উদ্দেশে গত শুক্রবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।

আর সেখানে পৌঁছেই ভ্রমণের কিছু ছবি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আপলোড করেছেন তাসকিন।

শনিবারে পোস্ট করা তার সেসব ছবিতে দেখা গেছে, পরিবারের সবাইকে নিয়ে তুরস্কের নীল সাগরে নয়নাভিরাম দৃশ্য উপভোগ করছেন তাসকিন আহমেদ।

ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ’সুন্দর স্থান, আমার পরিবারের সঙ্গে ছুটিতে।’ সেই স্ট্যাটাসের সুবাদেই জানা গেল, এ সফরে সঙ্গে ছিলেন না তাসকিনের বাবা।

বাবাকে মিস করছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, তুরস্ক থেকে ঈদের আগের দিনই দেশে ফিরবেন তাসকিন।


প্রসঙ্গত, ১ এপ্রিল, ২০১৪ তারিখে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতার সুপার টেন পর্বে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে তার। ২০১৪ সালে ভারতের বিপক্ষে তার ওয়ানডে অভিষেক হয়। খেলায় তিনি ৫ উইকেট লাভ করেন। একমাত্র বাংলাদেশী ক্রিকেটার হিসেবে তিনি অভিষেক ওয়ানডেতে ৫ উইকেট নেন।