বাংলাদেশ ক্রিকেট বর্তমানে সঙ্কার সময় চলছে। ক্রিকেট দোলাচলে রয়েছে বাংলাদেশ। এ দিকে সামনেই রয়েছে ভারতে ঐতিহাসিক সফর এই সফরকে নিয়ে ইতিমধ্যে দু’দেশে শুরু হয়ে গেছে চরম উত্তেজনা। বিশেষ করে ভারত এই সফরটি ঐতিহাসিক করতে চাচ্ছে। ইতিমধ্যে ভারতের ক্রিকেটের নতুন প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রনও জানিয়েছে এই ঐতিহাসিক ক্রিকেট সফর দেখার জন্য। কিন্তু এর মধ্যেই বাংলাদেশের ক্রিকেটের অচলাবস্থা ক্রিকেটারদের ধর্মঘটের কারনে। এ দিকে তাদের এই ধর্মঘটকে নিয়ে বেশ চটেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তিনি বেশ অবাকও হয়েছেন এই ধর্মঘটের কারনে।
খেলোয়াড়দের দাবির বিপক্ষে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের যুক্তি, তাদের দাবি হলো চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারদের সংখ্যা বেতন বাড়াতে হবে। আমার জানা মতে, আমাদের চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারের সংখ্যা বিশ্বের সর্বোচ্চগুলোর মধ্যে একটি। সমস্যাটা কী আমরা জানি না। আমাদের কেন্দ্রীয় চুক্তির বাইরে প্রথম শ্রেণির আরও ৭৯ জন ক্রিকেটারকে আমরা চুক্তিতে টাকা দেই।

তিনি আরও বলেন, আরও বাড়াবো? ২০০-৩০০ খেলোয়াড়দের টাকা দেব মাসে মাসে? খেলা না পারলেও দেব? আমরা কি ক্রিকেটারদের কম পারিশ্রমিক দিচ্ছি। ওরা এমন ভাব করছে, গণমাধ্যমে এমনভাবে কথা বলছে, যেন আমরা ওদের শেষ করে দিচ্ছি। একটা জায়গা দেখাতে পারবে, যেখানে আমরা ওদের সুবিধা দেইনি। আমরা বেতন-ভাতা এতটা বাড়িয়েছি যেটা জীবনে চিন্তা করতে পারেনি।

ফর্মহীন ক্রিকেটারদের সর্তক করে বোর্ড সভাপতি জানান, পারফরম্যান্স ভালো না করা ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক দেওয়া হবে না। খেলা পারে না, বাজে খেলে, এদের টাকা দেব না। আমাদের প্রথম শ্রেণির চুক্তিতে ৭৯-৮০ জন খেলোয়াড় রয়েছে। সঙ্গে ১৮ জন রয়েছে (জাতীয় দলের চুক্তি)। আমি ২০০ জন খেলোয়াড়দের চুক্তিতে নিতে পারি। তাতে লাভ কী? ক্রিকেটের কী উন্নতি হবে তাতে?


প্রসঙ্গত, গত সোমবার মিরপুরে হঠাৎই সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেয় বাংলাদেশের ক্রিকেটের মহারথী সাকিব, তামিম, মুশফিক, মাহমুদুল্লাহ। এময় তারা ১১ দাবি উপস্থাপন করে এবং এ সকল দাবি বোর্ড না মানলে অনিদির্ষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে ক্রিকেট খেলা বন্ধ বলে ঘোষনা দেয় তারা। তবে ক্রিকেট ধর্মঘটে কোথাও দেখা যায়নি বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের কান্ডারী মাশরাফি বিন মর্তুজাকে। এ নিয়ে ওঠে অনেক প্রশ্ন। পরে মাশরাফি একটি ফেসবুক পোষ্টের মাধ্যেমে তিনি তার অবস্থান পরিষ্কার করেন।