বাংলাদেশের ক্রিকেটের পোষ্টার বয়, বাংলাদেশের প্রান,দেশের সব থেকে বড় তারকা, বাংলাদেশের ক্রিকেটের আইকন, বিশ্বসেরা অলারাউন্ডার কত বিশেষনেই ডাকা হয় তাকে, তার নাম সকিব আল হাসান। তবে সব বর্তমান সময়ে তাকে নিয়ে চলছে অনেক আলোচনা-সমালোচনা। সম্প্রতি সাকিবের সাথে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না বিসিবির।বিশেষ করে ক্রিকেটারদের ধর্মঘটের নেতৃত্বের কারনে তিনি আরো বেশি নজরে এসেছেন তিনি। তবে গত রাতের ঘটনাটি ছাপিয়ে গেছে সকল ঘটনাকে। সোমবার দিবাগত রাত দুইটায়) দিকে জানা গেল খবর, যা শুনে শুধু সাকিব সমর্থকরাই মুষড়ে পড়বেন না, বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভক্ত ও সমর্থক যে কারো মাথায়ই বাজ পড়ার উপক্রম হবে।
বোর্ডের দায়িত্বশীল সূত্রের খবর, সাকিব আসলে ভারতে যেতে চাচ্ছেন না খবরটি ঠিক নয়। আসলে তিনি যেতে পারবেন না। সম্ভবত আইসিসির দুর্নীতি দমন সংস্থার রায়ে ১৮ মাসের জন্য নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছেন সাকিব। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ বিশাল-বাজিকরদের কাছ থেকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েও নিশ্চুপ থাকা।


আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টে বলা আছে, বাজিকরদের কাছ থেকে ম্যাচ বা স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হবে। না হয় আইসিসির দুর্নীতি দমন সংস্থা- আকসুকে অবহিত করতে হবে। সে খবর নিজে লুকিয়ে রাখলে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে। সাকিব তার কোনোটাই করেননি।

বোর্ডের উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে বিষয়টি সত্য। আগামীকাল (মঙ্গলবার) নাকি সেটাই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। আর প্রকাশিত হওয়া মানে সাকিবের সামনে নিশ্চিত শাস্তির খড়গ ঝুলবে। আর তাই তার পক্ষে ভারত সফরে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এ বিষয়ে বোর্ড কর্তারা কাল (সোমবার) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত চরম গোপনীয়তা ও নীরবতা অবলম্বন করেছেন। কিন্তু রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ খবর এদিক-ওদিক থেকে চাউর হতে থাকে।

এ ছাড়া সাকিবের বিপক্ষে আরও একটি অভিযোগ উঠেছে। তা হলো বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপনকে সরানোর নকশা আঁটা। বর্তমান বোর্ড ভাঙ্গার চেষ্টার অভিযোগও নাকি আছে সাকিবের বিরুদ্ধে। অবশ্য এই অভিযোগের সত্যতা নিয়ে সংশয় আছে।

যদিও বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ক্রিকেটারদের আন্দোলনের শুরু থেকেই বলে আসছেন, বড় ধরনের চক্রান্ত হয়েছে। সেই চক্রান্তর জাল ছিন্ন করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন তিনি।

সব মিলে চ্যাম্পিয়ন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের বিপক্ষে গুরুতর অভিযোগ সামনে উপস্থিত। অভিযোগের তীরে বিদ্ধ সাকিব শেষ পর্যন্ত কীভাবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন, সেটাই দেখার।

উল্লেখ্য, শুরুতে শোনা যাচ্ছিলো সাকিব আল হাসান ভারত সফরে যেতে চাইছেন না। তবে এর কারন হিসেবে তিনি দেখাননি কিছু।যেহেতু বাংলাদেশ ক্রিকেটদলের জন্য তিনি বড় একটি ফ্যাক্টর তাই তাকে ভারত সফরে নেবার জন্য চলছিলো নানা তদবির। তাকে বোঝনোর চেষ্টা করছিলো বোর্ড, কিন্তু এখন হয়তো বা কারন টা স্টষ্ট কেন তিনি যেতে চাইছেন বা যেতে পারবেন না ভারত সফরে। এখন শুধু এটা সময়ের অপেক্ষা কি রয়েছে সাকিবের ক্রিকেটের ভাগ্যাজাসগে সময়ই তা বলে দেবে।