ভারতীয় জুয়ারীর কাছ থেকে তিন বার ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েও তা প্রত্যাখ্যান করেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের পোষ্টারবয় সাকিব আল হাসান। কিন্তু প্রস্তাব বাতিলের এই খবর বিসিবি বা আইসিসি কাউকেই জানানি তিনি যা আইসিসির আইন বহির্ভুত। যার ফলে আইসিসির দুর্নিতি দমন সংস্থা সাকিবকে দোষি সাবস্থ্য করে। এর পর তার বিষয়ে সকল তদন্ত শেষে তাকে ২ বছরের জন্য সকল ধরনের প্রতিযোগীতামুলক ক্রিকেট থেকে বহিষ্কার করে ক্রিকেটের এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে নিজের ভুল বুঝে তা স্বিকার করার কারনে তার শাস্তির মেয়াদ কমিয়ে ১ বছর করে আকসু। এ দিকে যেহেতু তিনি এক বছরের জন্য সবধরনের ক্রিকেট থেকে দুরে সরে গেছেন তাই বিসিবির ও আইসিসির নিয়মানুযায়ি তার সাথে আইসিসির সকল কেন্দ্রিয় চুক্তি বাতিল হবে এতে কোন সন্দেহ নেই।
সাকিবের নিষেধাজ্ঞায় আইসিসি সাফ জানিয়ে দিয়েছে- নিষিদ্ধ থাকার কোন ধরনের প্রতিযোগিতামুলক ক্রিকেটীয় কর্মকান্ডে সাকিব জড়িত থাকতে পারবেন না। আর তাই বিসিবির সঙ্গে সাকিবের এই চুক্তি তো নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার পর থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা। এই প্রসঙ্গে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামুদ্দিন সুজন বলেন, ’এটা অবশ্যই বাতিল হওয়ার কথা। যে নিয়ম আছে, সেই অনুযায়ী এটা ২৯ অক্টোবর থেকেই বাতিল হওয়ার কথা। তবে বোর্ড এখনো এই বিষয়ে যেহেতু কোন সিদ্ধান্ত জানায়নি, তাই এটা এখনই বাতিল হয়ে গেছে-এমনটা আমি বলতে পারি না।’ তবে এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই যে সাকিবের সঙ্গে বিসিবির এই চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার হিসেবে থাকার চুক্তিটা বাতিল হচ্ছেই। হয় আজ না হয় একদিন পর!


বিসিবির টিম অপারেশন্সের চেয়ারম্যান আকরাম খানও বলেন, ’নিয়ম তো তাই জানাচ্ছে যে সাকিবের সঙ্গে বিসিবির চুক্তিটা আর থাকছে না।’ বিসিবি চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারদের সংখ্যা এখন ১৮ জনের। ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিসিবির এই চুক্তি শেষ হচ্ছে ডিসেম্বরে। সামনের বছরের জানুয়ারিতে ক্রিকেটারদের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি হবে।


প্রসঙ্গত, গত ২ বছর আগের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২ বছর পরে সকল কিছু বিবেচনা করে সাস্তি পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। যা মেনে নিতে পারছে না দেশের কেউ। শুধু দেশ নয় দেশের বাইরের বড় বড় সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়াও সাকিবের এই সাস্তির বিরোধিতা করেছে। তবে দেশের সকল মানুষ সাকিবের এই ম্যচ না পাতানোর কর্মকান্ডকে স্বাগত জানিয়েছে।