রুবানা হক বাংলাদেশের একজন কিংবদন্তি রাজনীতিবিদ প্রয়াত ঢাকার মেয়র মেয়র আনিসুল হকের স্ত্রী। তিনি শুধু একজন সফল রাজনীতিবিদ মানুষের স্ত্রীই নন নিজেও একজন সফল নারী। শুধু ব্যবসায়ীক দিক থেকে তিনি সফল নন। একাধারে তিনি একজন কবিও বটে। মেয়র আনিসুল হকের প্রয়াণের পরে তিনি বিজিএমইএর প্রথম নারী সভাপতি হিসেবে যোগদান করেন। আজ তার জন্মদিন।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display


রুবানা হক ২০১৩ ও ২০১৪ সালে পরপর দুবার ’বিবিসি ১০০ নারী’ নিবন্ধে স্থান পেয়েছিলেন। ২০০৬ সালে তিনি কবিতার জন্য সার্ক সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।

কর্মজীবনে রুবানা মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ২০০৬ থেক ২০১০ সালে তিনি সাউথ এশিয়া টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন। এছাড়া তিনি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর ওম্যান এর ট্রাস্টী মেম্বার।

ব্যবসায়ের পাশাপাশি তিনি সাহিত্য চর্চার সঙ্গেও জড়িত। ’টাইম অফ মাই লাইফ’ তার লেখা কবিতার বই।

মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে বেড়ে ওঠা রুবানা ১৫ বছর বয়স থেকে টিউশনি করে নিজের পড়ালেখার খরচ চালাতেন। সত্যিকার অর্থে মেধাবী মেয়েটি এসএসসি, এইচএসসি—দুবারই বোর্ডে স্ট্যান্ড করেছিলেন।

আনিসুল হক ও রুবানা—দুজনেরই দ্বিতীয় বিয়ে। নাভিদ, ওয়ামিক, তানিশা ও শারাফ—চার সন্তান নিয়ে ছিল তাদের সংসার। যদিও ছয় বছর বয়সেই শারাফ বাবা–মায়ের কোল খালি করে পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়। এরপর সন্তানের মত চলে গেছেন স্বামী আনিসুল হকও।

জীবনের এ কঠিন সময়ে এসে রুবানা হক মনে করেন, তার সব কাজ শেখা আনিসুল হকের কাছ থেকে। এতগুলো বছর তিনি আনিসুল হকের ছায়াতেই ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে নির্ভরতার ছায়া সরে যাওয়ার পর নিজেকে মানসিক দিক থেকে আরও শক্ত করেছেন তিনি। কারও সামনে কখনো কাঁদেননি। শুধু মনে হয়েছে, সব ঠিকঠাক চালিয়ে নিতে হবে, নিয়েছেনও।


প্রসঙ্গত, কর্ম জীবনের শুরুতে রুবানা হক মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এখান থেকেই মূলত তার কর্মজীবনের শুরুটা হয়। এর পর প্রায় দীর্ঘ ৪ টি বছর বাংলাদেশের বেসরকারি টেলিভিশন সাউথ এশিয়া টিভির নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন। মহিয়সী এই নারী শুধু কর্ম ক্ষেত্রেই নয় সাহিত্য চর্চায়ও বেশ সফল তিনি। তার একটি কাব্যগ্রন্থও প্রকাশিত হয়েছে একটা সময়।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display