দেশের অর্থ এবং বিদেশে মানব পাচার। এ সব কিছুই ছিল তার প্রধান ব্যবসা। তবে এবার সব কিছুর পর্দা ফাঁস হয়ে গেছে গতকাল। জানা যায় সুদুর কুয়েতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর এর পর থেকেই সব পর্দা ফাঁস হতে থাকে তার কার্যক্রমের। আর ধরা পড়ার পর থেকে কুয়েতি পুলিশের হেফাজতে আাছেন। জানা গেছে মুদ্রা ও মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকারন এই ২ অভিযোগে কুয়েতে গ্রেপ্তার বাংলাদেশি সাংসদ মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে কুয়েতি আদালতে সাক্ষী দিয়েছেন পাঁচ প্রবাসী বাংলাদেশি।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এ সংসদ নিজ এলাকায় ’কাজী পাপুল’ নামেই অধিক পরিচিত।

সাক্ষীদের সকলকেই কুয়েতে পাচার করেছিলেন কাজী পাপুল। কুয়েতি আদালতকে তারা জানান, এজন্য তারা সাংসদকে তিন হাজার কুয়েতি দিনার দিয়েছেন।

স্থানীয় দৈনিক আরব টাইমস জানায়, বিচারকমণ্ডলী প্রবাসীদের সাক্ষ্য শুনেছেন। প্রতি বছর কুয়েতে তাদের অবস্থান নবায়ন করে নিতে এসব সাক্ষীরা আসামিকে অর্থ প্রদান করতেন।

এর আগে গতকাল রোববার কুয়েতের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার করে। দেশটির মুশরিফ আবাসিক এলাকার ৪ নম্বর ব্লকে নিজ ভাড়া বাসভবন থেকে কাজী পাপুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর তাকে স্থানীয় আদালতে হাজির করা হয়। এসময় মুশরিফ অঞ্চলের বিচারক সাংসদ পাপুলের জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম জানান, খুব শীঘ্রই এই মামলার পূর্ণ শুনানি শুরু হবে।


জীবন জিবীকার তাগিদে কুয়েতে গিয়েছিলেন সাংসদ পাপলু। তবে সেখানে গিয়ে যেন আলাদিনের চেড়াগ হাতে পেয়ে যান তিনি। মানব পাচার এবং মানি লন্ডারিং এর মাধ্যে স্বল্প দিনের মধ্যেই গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। বর্তমানে তার সম্পদের পরিমান হাজার হাজার কোটি টাকা।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display